নোয়াখালী ও সুনামগঞ্জ নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিনের একাধিক আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাতেই তাকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণ: সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৯ থেকে ১৮ মিনিট দৈর্ঘ্যের বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে ইউএনও মো. আলাউদ্দিনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এমনকি তার বিরুদ্ধে নারীদের নিয়ে পর্ণ ভিডিও তৈরির মতো গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ভেতরে-বাইরে তীব্র সমালোচনা চলছে।
পূর্বের কর্মস্থলে গুঞ্জন: এই ঘটনার রেশ পৌঁছেছে সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলেও। উল্লেখ্য, হাতিয়ায় যোগদানের আগে মো. আলাউদ্দিন সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও শাল্লা উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ নিয়ে ওই এলাকাগুলোতেও এখন ব্যাপক আলোচনা চলছে।
অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য: তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. আলাউদ্দিন। তার দাবি, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলো সম্পূর্ণ ভুয়া এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। নোয়াখালীর স্থানীয় সংবাদকর্মীদের তিনি জানান, পূর্বের কর্মস্থলের কোনো বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার চেহারা বসিয়ে এসব জাল ভিডিও তৈরি করেছে। তিনি একে একটি গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছেন এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।
বর্তমান পরিস্থিতি: মঙ্গলবার থেকে তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। দেশব্যাপী সৃষ্টি হওয়া এই বিতর্কের মুখে রাতেই তাকে তার পদ থেকে সরিয়ে ওএসডি করা হয়েছে। ভিডিওগুলোর সত্যতা এবং এই কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে কী রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
০৮:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
শিরোনাম:
অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় হাতিয়ার ইউএনও ওএসডি: এআই প্রযুক্তির অপব্যবহারের দাবি
-
নিউজ ডেস্ক - আপডেট: ০১:৩৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
- ৫১২
সর্বাধিক পঠিত




















