পাকিস্তানে চরম নিরাপত্তা সংকটের মুখে ইসলামাবাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এবং লাহোর ও করাচির কনস্যুলেটগুলোতে আগামী ৬ মার্চ পর্যন্ত সব ধরনের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হতে শুরু করে। একপর্যায়ে এই বিক্ষোভ চরম সহিংসতায় রূপ নেয়। এএফপির একজন প্রতিবেদক জানান, একদল উত্তেজিত যুবক কনস্যুলেটের মূল ফটক বেয়ে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং জানালার কাচ ভাঙচুর করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও ভবনে হামলার দৃশ্য দেখা গেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তা বাহিনী এবং পাকিস্তানি পুলিশ যৌথভাবে পদক্ষেপ নেয়। অভিযোগ উঠেছে, নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে এবং পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, এই সংঘাতের ঘটনায় অন্তত ৯ জন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
নিরাপত্তা পরিস্থিতির চরম অবনতি হওয়ায় মার্কিন কর্তৃপক্ষ তাদের কূটনৈতিক কার্যক্রম সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৬ মার্চ পর্যন্ত ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখার পাশাপাশি পাকিস্তানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর নতুন করে চাপের সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




















