০৯:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাদক ও সন্ত্রাসীদের কোনো ছাড় নয়, প্রশাসনে পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:২৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৫

যশোর প্রতিনিধি: মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যমুক্ত সমাজ গড়তে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মাদক বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকলে দল তার দায়ভার নেবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও জিরো টলারেন্স প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার হলো সমাজকে অপরাধমুক্ত করা। যে কোনো মূল্যে এই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে। মাদক ব্যবসায়ী বা সন্ত্রাসীদের পক্ষে বিএনপি কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা করবে না।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, যশোর সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এখানে মাদকের ঝুঁকি বেশি। তাই মাদকের রুটগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি।
নেপথ্যের গডফাদারদের তালিকা তৈরির নির্দেশ মাদক ও সন্ত্রাসের নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অপরাধীরা প্রায়ই রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক ছত্রছায়ায় পার পেয়ে যায়। যারা আড়ালে থেকে এসব অপকর্মকে সমর্থন বা উসকানি দেয়, তাদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
প্রশাসনের প্রতি কঠোর বার্তা সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন:
> “আপনারা কেউ ‘বিএনপি’ হওয়ার চেষ্টা করবেন না। নিজ নিজ অবস্থানে থেকে পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করুন। রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কেউ যেন অন্যায়ভাবে জুলুমের শিকার না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।”
>
তিনি আশ্বস্ত করেন যে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
* পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম
* অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার ও রুহুল আমিন
* স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রফিকুল হাসানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

সর্বাধিক পঠিত

অভয়নগরে রোমান জুট মিলে অগ্নিকাণ্ড:

মাদক ও সন্ত্রাসীদের কোনো ছাড় নয়, প্রশাসনে পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট: ০৮:২৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোর প্রতিনিধি: মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্যমুক্ত সমাজ গড়তে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মাদক বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকলে দল তার দায়ভার নেবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের সাথে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও জিরো টলারেন্স প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার হলো সমাজকে অপরাধমুক্ত করা। যে কোনো মূল্যে এই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে। মাদক ব্যবসায়ী বা সন্ত্রাসীদের পক্ষে বিএনপি কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা করবে না।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, যশোর সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এখানে মাদকের ঝুঁকি বেশি। তাই মাদকের রুটগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেন তিনি।
নেপথ্যের গডফাদারদের তালিকা তৈরির নির্দেশ মাদক ও সন্ত্রাসের নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অপরাধীরা প্রায়ই রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক ছত্রছায়ায় পার পেয়ে যায়। যারা আড়ালে থেকে এসব অপকর্মকে সমর্থন বা উসকানি দেয়, তাদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
প্রশাসনের প্রতি কঠোর বার্তা সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন:
> “আপনারা কেউ ‘বিএনপি’ হওয়ার চেষ্টা করবেন না। নিজ নিজ অবস্থানে থেকে পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করুন। রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কেউ যেন অন্যায়ভাবে জুলুমের শিকার না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।”
>
তিনি আশ্বস্ত করেন যে, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার প্রশাসনকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:
* পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম
* অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার ও রুহুল আমিন
* স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রফিকুল হাসানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।