যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় একটি দোকানের ক্যাশ ড্রয়ার ভেঙে ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা চুরির ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ ঘটনায় আন্তঃজেলা চোর চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবির সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল।
শুক্রবার ভোররাতে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি পালসার মোটরসাইকেল এবং লুণ্ঠিত টাকার মধ্যে ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয়
* মমিন গাজী (৩৫): পাইকগাছা উপজেলার বিরাশি গ্রামের মৃত আনসার গাজীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই ৪টি মামলা রয়েছে।
* রফিক গাজী: একই গ্রামের ফজলু গাজীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ৬টি মামলা রয়েছে।
অভিযান চলাকালে ওই চক্রের আরেক সদস্য সোবহান গাজী পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মণিরামপুরের রোহিতা বাজারের ‘জাহিদ টেলিকম’-এর মালিক জাহিদ হোসেন দোকানের ড্রয়ারে ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা রেখে আছরের নামাজ পড়তে যান। কলাপসিবল গেট টেনে নামাজ শেষে ২০ মিনিট পর ফিরে এসে তিনি দেখেন, গেটের তালা খোলা এবং ড্রয়ার ভেঙে সব টাকা নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।
ঘটনার পর তদন্তে নামে ডিবির সাইবার ক্রাইম ইউনিট। প্রযুক্তির সহায়তায় অবস্থান শনাক্ত করে শুক্রবার রাত ৩টা ২০ মিনিটে প্রথমে মমিন গাজীকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মমিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোবহান গাজীর বাড়িতে অভিযান চালালে তিনি পালিয়ে যান, তবে সেখান থেকে ৫০ হাজার টাকা ও ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে নোয়াকাটি এলাকা থেকে রফিক গাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের এসআই দেবব্রত ঘোষ জানান, আটক মমিন গাজী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত দুজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। চক্রের পলাতক সদস্যদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




















