সারাদেশের ন্যায় যশোরেও অত্যন্ত উৎসবমুখর ও কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নার্সিং ও মিডওয়াইফারি ভর্তি পরীক্ষা। আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার এই ভর্তি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন কয়েক হাজার উচ্চাকাঙ্ক্ষী শিক্ষার্থী।
যশোর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজ কেন্দ্রের অধীনে এ বছর সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা গ্রহণের জন্য দুটি পৃথক ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছিল:
* যশোর মেডিকেল কলেজ: এই ভেন্যুতে ‘বিএসসি ইন নার্সিং’ এবং ‘ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি’ কোর্সের পরীক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
* যশোর সরকারি মহিলা কলেজ: এখানে অনুষ্ঠিত হয় ‘ডিপ্লোমা ইন নার্সিং’ কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা।
পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ নজরদারি লক্ষ্য করা গেছে। কেন্দ্র ও হল পরিদর্শকদের কঠোর তদারকির ফলে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা, নকল বা প্রক্সি দেওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মেধার মূল্যায়ন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।
পরীক্ষা শেষে কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসা পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে স্বস্তির ছাপ দেখা গেছে। অভিভাবকদের সঙ্গে আলাপকালে উঠে আসে এক মানবিক স্বপ্নের কথা। অনেক অভিভাবক জানান, নার্সিং শুধু একটি পেশা নয়, বরং সরাসরি আর্তমানবতার সেবা করার এক মহান সুযোগ।
এক অভিভাবক আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “এটি যেমন সম্মানজনক, তেমনি পরকালের জন্য সওয়াবের কাজ। আমরা চাই আমাদের সন্তানরা দক্ষ নার্স হয়ে দেশ ও মানুষের পাশে দাঁড়াক।” তারা প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, সরকার যেন মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করে।
কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা ছাড়াই হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন আগামীর সেবিকারা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুব দ্রুতই এই ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল কাউন্সিলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।




















