১১:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

কেশবপুরে সারে অতিরিক্ত দাম রাখায় প্রশাসনের হানা, ব্যবসায়ীদের সতর্কবার্তা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:১৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪২

যশোরের কেশবপুর পৌর শহরের বিভিন্ন বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে এই মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বোরো মৌসুম ও রবি শস্যের এই সময়ে বেশ কয়েকজন কৃষক নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে সার বিক্রির বিষয়ে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানান। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় তাৎক্ষণিকভাবে শহরের প্রধান সারের বাজারগুলোতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে প্রতিটি দোকানের মূল্যতালিকা এবং কৃষকদের দেওয়া বিক্রয় রসিদ নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন কেশবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন। এ সময় কয়েকটি দোকানে মূল্যের অসঙ্গতি ও অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে প্রথমবার হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করে ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন:
> “কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার মূল চালিকাশক্তি। সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। আমরা নিয়মিত বাজার তদারকি করছি যাতে কৃষকরা প্রতারিত না হন।”

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই মনিটরিং কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। কোনো ব্যবসায়ী যদি সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে সার বিক্রি করেন, তবে ভবিষ্যতে তার বিরুদ্ধে বড় অংকের জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযানের ফলে সাধারণ কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি বাজার মনিটরিং জোরদার রাখার দাবি জানিয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন:

কেশবপুরে সারে অতিরিক্ত দাম রাখায় প্রশাসনের হানা, ব্যবসায়ীদের সতর্কবার্তা

আপডেট: ০৮:১৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোরের কেশবপুর পৌর শহরের বিভিন্ন বাজারে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে এই মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বোরো মৌসুম ও রবি শস্যের এই সময়ে বেশ কয়েকজন কৃষক নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে সার বিক্রির বিষয়ে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ জানান। কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় তাৎক্ষণিকভাবে শহরের প্রধান সারের বাজারগুলোতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে প্রতিটি দোকানের মূল্যতালিকা এবং কৃষকদের দেওয়া বিক্রয় রসিদ নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হয়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন কেশবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন। এ সময় কয়েকটি দোকানে মূল্যের অসঙ্গতি ও অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে প্রথমবার হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করে ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন:
> “কৃষকরা দেশের খাদ্য নিরাপত্তার মূল চালিকাশক্তি। সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। আমরা নিয়মিত বাজার তদারকি করছি যাতে কৃষকরা প্রতারিত না হন।”

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই মনিটরিং কার্যক্রম নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। কোনো ব্যবসায়ী যদি সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে সার বিক্রি করেন, তবে ভবিষ্যতে তার বিরুদ্ধে বড় অংকের জরিমানা ও লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযানের ফলে সাধারণ কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি বাজার মনিটরিং জোরদার রাখার দাবি জানিয়েছেন।