যশোরের কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ ওঠায় জেলাজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। একটি অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার রিফিলিং কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৫ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণ এবং পরবর্তীতে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ নিতে অস্বীকৃতি জানানোর ঘটনায় তার ভূমিকা এখন চরম প্রশ্নের মুখে।
অভিযানের নামে ‘গোপন সমঝোতা’
সূত্র জানায়, গত রোববার মধ্যরাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে নিয়ে যশোর শহরতলীর কানাইতলা এলাকায় ডেল্টা এলপিজি লিমিটেড নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালান ওসি ফারুক আহমেদ। সেখানে অবৈধভাবে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিলিন্ডার ভরার হাতেনাতে প্রমাণ পান সাংবাদিকরা। তবে অভিযোগ উঠেছে, মালিকপক্ষের সঙ্গে একান্তে কথা বলার পর ওসির অবস্থান রহস্যজনকভাবে বদলে যায়। তিনি সাংবাদিকদের ফেলে গোপনে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। অভিযোগ রয়েছে, ৫ লাখ টাকা উৎকোচ (ঘুষ) নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিয়েছেন তিনি।
এই ঘটনার মাত্র দুদিন পরেই আবারও বিতর্কে জড়িয়েছেন ওসি ফারুক। থানায় ন্যায়বিচার চাইতে আসা এক ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ নিতে তিনি সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সচেতন মহলের মতে, থানায় অভিযোগ গ্রহণ না করা শুধু দায়িত্ব অবহেলা নয়, বরং আইনি কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হওয়া।”পুলিশের কাজ ছিল অভিযোগ গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করা এবং ভুক্তভোগীকে নিরাপত্তা দেওয়া। কিন্তু সেখানে উল্টো হয়রানির অভিযোগ পুলিশের ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।” — সচেতন নাগরিক সমাজ
>
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তার পুরোপুরি জানা নেই। তবে তিনি দ্রুত খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।
একের পর এক বিতর্কে ওসির নাম আসায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল।





















