যশোরে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে (১৬) অপহরণের অভিযোগে দুই সপ্তাহ পর কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় একই পরিবারের বাবা-ছেলেসহ মোট তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। অপহরণের অভিযোগ আনা হলেও স্থানীয় সূত্রে বিষয়টিকে ‘প্রেমঘটিত পলায়ন’ বলে দাবি করা হচ্ছে।
মামলার আসামিরা হলেন:. তন্ময় বিশ্বাস (২০): মূল অভিযুক্ত।. কিশোর বিশ্বাস (৪০): তন্ময় বিশ্বাসের বাবা।. সুজয় বিশ্বাস (২৬): আনন্দ বিশ্বাসের ছেলে।
(সবাই যশোর সদর উপজেলার রামনগর সতীঘাটা কামালপুর এলাকার বাসিন্দা)
এজাহারের বিবরণ
স্কুলছাত্রীর পিতার দায়ের করা এজাহার অনুযায়ী, তার মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী। আসামি তন্ময় দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে যাতায়াতের পথে তাকে উত্ত্যক্ত করত এবং প্রেমের প্রস্তাব দিত। মেয়েটি রাজি না হওয়ায় তন্ময় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ক্ষতির চেষ্টা করে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির সামনে থেকে তন্ময় ও তার সহযোগীরা মেয়েটিকে ফুঁসলিয়ে একটি মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে আদালতে আশ্রয় নেন ভুক্তভোগীর পিতা।
মামলায় অপহরণের অভিযোগ আনা হলেও স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য ভিন্ন কথা বলছে। সূত্রমতে:
অভিযুক্ত তন্ময়ের সঙ্গে ওই ছাত্রীর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
* গত ৮ ফেব্রুয়ারি তারা স্বেচ্ছায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
* মেয়েটি অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৬ বছর) হওয়ায় আইনগত জটিলতা এড়াতে এবং মেয়েকে ফিরে পেতে তার পিতা অপহরণের মামলা করেছেন বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।




















