১০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাঘারপাড়ায় বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টা-পাল্টি সমাবেশ: ১৪৪ ধারা শেষ, পরিস্থিতি শান্ত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১১

যশোরের বাঘারপাড়ায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় শেষ হয়েছে। একই স্থানে বিএনপির দুই পক্ষ সমাবেশ ডাকায় সংঘর্ষের আশঙ্কায় উপজেলা প্রশাসন এই জরুরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাঘারপাড়া পৌরসভার স্বর্ণপট্টি মোড় থেকে চৌরাস্তা এবং উপজেলা মোড়সহ তৎসংলগ্ন এলাকায় সব ধরনের সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। জননিরাপত্তার স্বার্থে ওই এলাকায় মাইক ব্যবহার ও লাঠিসোঁটা বহন করার ওপরও বিধিনিষেধ জারি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভুপালী সরকার।
প্রশাসনের বক্তব্য

“একই স্থানে রাজনৈতিক দলের দুটি পক্ষ কর্মসূচি ঘোষণা করায় শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই নির্দিষ্ট এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল।”

১৪৪ ধারা চলাকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রশাসনের কঠোর নজরদারির কারণে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। বিকেল সাড়ে ৩টার পর নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে স্কুলছাত্রীকে ‘অপহরণ’: বাবা-ছেলেসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

বাঘারপাড়ায় বিএনপির দুই পক্ষের পাল্টা-পাল্টি সমাবেশ: ১৪৪ ধারা শেষ, পরিস্থিতি শান্ত

আপডেট: ০৭:৫৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোরের বাঘারপাড়ায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে প্রশাসনের জারি করা ১৪৪ ধারা আজ বিকেল সাড়ে ৩টায় শেষ হয়েছে। একই স্থানে বিএনপির দুই পক্ষ সমাবেশ ডাকায় সংঘর্ষের আশঙ্কায় উপজেলা প্রশাসন এই জরুরি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাঘারপাড়া পৌরসভার স্বর্ণপট্টি মোড় থেকে চৌরাস্তা এবং উপজেলা মোড়সহ তৎসংলগ্ন এলাকায় সব ধরনের সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। জননিরাপত্তার স্বার্থে ওই এলাকায় মাইক ব্যবহার ও লাঠিসোঁটা বহন করার ওপরও বিধিনিষেধ জারি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভুপালী সরকার।
প্রশাসনের বক্তব্য

“একই স্থানে রাজনৈতিক দলের দুটি পক্ষ কর্মসূচি ঘোষণা করায় শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই নির্দিষ্ট এলাকায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল।”

১৪৪ ধারা চলাকালীন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। প্রশাসনের কঠোর নজরদারির কারণে এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। বিকেল সাড়ে ৩টার পর নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।