০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে শীর্ষে সুপ্রিম কোর্টের ৪ নারী আইনজীবী

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। বিশেষ করে বিজয়ী দল বিএনপি থেকে কারা সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা নিয়ে চলছে নানা সমীকরণ। পেশাদারিত্ব ও সাংগঠনিক দক্ষতার বিচারে এবার আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন সুপ্রিম কোর্টের চার দাপুটে নারী আইনজীবী।

দলীয় ও আইনজীবী সূত্রমতে, সংরক্ষিত আসনের জন্য বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে যে চারজনের নাম সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তারা হলেন:
অ্যাডভোকেট জাকিয়া হূমায়রা তমা: সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য। দলের কঠিন সময়ে আইনি লড়াইয়ে তার দৃঢ় নেতৃত্ব ও আনুগত্য তাকে রেসের সামনের সারিতে রেখেছে।
অ্যাডভোকেট মেহবুবা আক্তার জুই: জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক। তরুণ ও মেধাবী আইনজীবী হিসেবে দলের ভেতরে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা: তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাঠপর্যায়ের রাজনীতি ও রাজপথে তার সরব উপস্থিতি মনোনয়নের পথকে উজ্জ্বল করেছে।
অ্যাডভোকেট মিনা বেগম মিনি: জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং নারী অধিকার রক্ষায় তার কাজ দলীয় মহলে প্রশংসিত।

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত ৫০টি আসন সাধারণ আসনের আনুপাতিক হারে বণ্টিত হয়। এবারের নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করায় সংরক্ষিত আসনের একটি বড় অংশ তাদের ভাগে যাচ্ছে। দলীয় সূত্র বলছে, প্রার্থীর অতীত সংগ্রাম, দলের প্রতি ত্যাগ এবং সংসদীয় বিতর্কে অংশ নেওয়ার মতো পেশাগত দক্ষতাকে এবার প্রধান মানদণ্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদে আইন প্রণয়ন ও নীতিনির্ধারণী আলোচনায় দক্ষ আইনজীবীদের অন্তর্ভুক্তি দলের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে। আলোচিত এই চার নারী আইনজীবী মনোনীত হলে সংসদীয় রাজনীতিতে একটি পেশাদার ও শক্তিশালী পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে চূড়ান্ত তালিকার বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর জানিয়েছে, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দলীয় মনোনয়ন বোর্ড খুব শীঘ্রই যোগ্য প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন:

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে শীর্ষে সুপ্রিম কোর্টের ৪ নারী আইনজীবী

আপডেট: ১১:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। বিশেষ করে বিজয়ী দল বিএনপি থেকে কারা সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব করবেন, তা নিয়ে চলছে নানা সমীকরণ। পেশাদারিত্ব ও সাংগঠনিক দক্ষতার বিচারে এবার আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে আছেন সুপ্রিম কোর্টের চার দাপুটে নারী আইনজীবী।

দলীয় ও আইনজীবী সূত্রমতে, সংরক্ষিত আসনের জন্য বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে যে চারজনের নাম সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে তারা হলেন:
অ্যাডভোকেট জাকিয়া হূমায়রা তমা: সুপ্রিম কোর্ট ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য। দলের কঠিন সময়ে আইনি লড়াইয়ে তার দৃঢ় নেতৃত্ব ও আনুগত্য তাকে রেসের সামনের সারিতে রেখেছে।
অ্যাডভোকেট মেহবুবা আক্তার জুই: জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক। তরুণ ও মেধাবী আইনজীবী হিসেবে দলের ভেতরে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা: তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর মহিলা দলের সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মাঠপর্যায়ের রাজনীতি ও রাজপথে তার সরব উপস্থিতি মনোনয়নের পথকে উজ্জ্বল করেছে।
অ্যাডভোকেট মিনা বেগম মিনি: জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক। দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং নারী অধিকার রক্ষায় তার কাজ দলীয় মহলে প্রশংসিত।

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত ৫০টি আসন সাধারণ আসনের আনুপাতিক হারে বণ্টিত হয়। এবারের নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করায় সংরক্ষিত আসনের একটি বড় অংশ তাদের ভাগে যাচ্ছে। দলীয় সূত্র বলছে, প্রার্থীর অতীত সংগ্রাম, দলের প্রতি ত্যাগ এবং সংসদীয় বিতর্কে অংশ নেওয়ার মতো পেশাগত দক্ষতাকে এবার প্রধান মানদণ্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদে আইন প্রণয়ন ও নীতিনির্ধারণী আলোচনায় দক্ষ আইনজীবীদের অন্তর্ভুক্তি দলের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে। আলোচিত এই চার নারী আইনজীবী মনোনীত হলে সংসদীয় রাজনীতিতে একটি পেশাদার ও শক্তিশালী পরিবর্তন আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে চূড়ান্ত তালিকার বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তর জানিয়েছে, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দলীয় মনোনয়ন বোর্ড খুব শীঘ্রই যোগ্য প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করবে।