০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৪

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে যশোরে পালিত হচ্ছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। অমর একুশের প্রথম প্রহরে শহরের ঐতিহাসিক যশোর সরকারি এমএম কলেজস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদনের সূচনা করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, যশোর-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তার শ্রদ্ধা নিবেদনের পরপরই জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান এবং পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে সম্মান জানান।

রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন:বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবু সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও যশোর প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন, জেলা পরিষদ, ফায়ার সার্ভিস, পিবিআই এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়সহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
একুশের চেতনায় গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রত্যয়
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন,
“বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রেরণা জোগায়। দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে একুশের চেতনাকে আমাদের সবসময় সমুন্নত রাখতে হবে।”

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের পর এই প্রথম এমএম কলেজের ঐতিহাসিক শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলো একযোগে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। গত কয়েক বছর প্রশাসনের কড়াকড়িতে সংকুচিত পরিসরে কর্মসূচি পালন করা হলেও এবার প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শহীদ মিনারে জনতার ঢল নামে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন:

প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

আপডেট: ১০:৫১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে যশোরে পালিত হচ্ছে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। অমর একুশের প্রথম প্রহরে শহরের ঐতিহাসিক যশোর সরকারি এমএম কলেজস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদনের সূচনা করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, যশোর-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তার শ্রদ্ধা নিবেদনের পরপরই জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান এবং পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে সম্মান জানান।

রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন:বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবু সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও যশোর প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন, জেলা পরিষদ, ফায়ার সার্ভিস, পিবিআই এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়সহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পর্যায়ক্রমে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
একুশের চেতনায় গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রত্যয়
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন,
“বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। শহীদদের আত্মত্যাগ আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রেরণা জোগায়। দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে একুশের চেতনাকে আমাদের সবসময় সমুন্নত রাখতে হবে।”

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের পর এই প্রথম এমএম কলেজের ঐতিহাসিক শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলো একযোগে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। গত কয়েক বছর প্রশাসনের কড়াকড়িতে সংকুচিত পরিসরে কর্মসূচি পালন করা হলেও এবার প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে শহীদ মিনারে জনতার ঢল নামে।