০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সাতক্ষীরায় বেড়েছে বিদ্যুতের তার চুরি:

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৩৫:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৩

সাতক্ষীরা জেলা শহরে গত কয়েক মাস ধরে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের তামার তার চুরির ঘটনা। এতে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ বিভাগ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে চরম জনভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ গ্রাহকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতোমধ্যে এলাকায় টহল জোরদার ও মাইকিং শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) সাতক্ষীরার আবাসিক প্রকৌশলী মো. শোয়াইব হোসেন জানান, জেলায় বর্তমানে তাদের গ্রাহক সংখ্যা ৫৮ হাজার ৫৯৮ জন। গত কয়েক মাস ধরে সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই বিদ্যুতের তার চুরির উপদ্রব বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, “চুরির বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে নিয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছি। এছাড়া গ্রাহকদের সচেতন করতে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে যেন সবাই নিজ নিজ এলাকার বিদ্যুৎ লাইনের দিকে নজর রাখেন।”
পুলিশি তৎপরতা ও স্থানীয়দের উদ্বেগ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, সংঘবদ্ধ চোর চক্রকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। যেসব এলাকায় চুরির প্রবণতা বেশি, সেখানে পুলিশের রাত্রিকালীন টহল আগের চেয়ে জোরদার করা হয়েছে।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি কেবল টহল দিয়ে এই সংকট কাটবে না। তাদের মতে:
ভাংড়ি ব্যবসায়ীদের নজরদারি: চোরেরা সাধারণত তামার তার চুরি করে স্থানীয় ভাংড়ি দোকানে বিক্রি করে। তাই এসব ব্যবসায়ীদের কড়া নজরদারিতে আনতে হবে।
: তার চুরির ফলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকতে হচ্ছে, যা জননিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।
দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে শহরজুড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা চরম নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়বে এবং জনভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টর

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন:

সাতক্ষীরায় বেড়েছে বিদ্যুতের তার চুরি:

আপডেট: ১০:৩৫:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাতক্ষীরা জেলা শহরে গত কয়েক মাস ধরে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের তামার তার চুরির ঘটনা। এতে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ বিভাগ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে চরম জনভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ গ্রাহকরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইতোমধ্যে এলাকায় টহল জোরদার ও মাইকিং শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) সাতক্ষীরার আবাসিক প্রকৌশলী মো. শোয়াইব হোসেন জানান, জেলায় বর্তমানে তাদের গ্রাহক সংখ্যা ৫৮ হাজার ৫৯৮ জন। গত কয়েক মাস ধরে সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই বিদ্যুতের তার চুরির উপদ্রব বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, “চুরির বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে নিয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছি। এছাড়া গ্রাহকদের সচেতন করতে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে যেন সবাই নিজ নিজ এলাকার বিদ্যুৎ লাইনের দিকে নজর রাখেন।”
পুলিশি তৎপরতা ও স্থানীয়দের উদ্বেগ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, সংঘবদ্ধ চোর চক্রকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। যেসব এলাকায় চুরির প্রবণতা বেশি, সেখানে পুলিশের রাত্রিকালীন টহল আগের চেয়ে জোরদার করা হয়েছে।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি কেবল টহল দিয়ে এই সংকট কাটবে না। তাদের মতে:
ভাংড়ি ব্যবসায়ীদের নজরদারি: চোরেরা সাধারণত তামার তার চুরি করে স্থানীয় ভাংড়ি দোকানে বিক্রি করে। তাই এসব ব্যবসায়ীদের কড়া নজরদারিতে আনতে হবে।
: তার চুরির ফলে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকতে হচ্ছে, যা জননিরাপত্তা ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।
দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে শহরজুড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা চরম নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়বে এবং জনভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টর