০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সৌদি আরবে পৃথক দুর্ঘটনায় কিশোরগঞ্জের দুই প্রবাসী নিহত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৩

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার দুই প্রবাসী সৌদি আরবে পৃথক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। গত বুধ ও বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের মক্কা ও রিয়াদ শহরে এই মর্মান্তিক ঘটনাগুলো ঘটে। নিহতরা হলেন—উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের ঘিলাকান্দি গ্রামের সাফির উদ্দিন (৫৭) এবং লোহাজুরী ইউনিয়নের পূর্ব বাহেরচর গ্রামের হৃদয় মিয়া (২২)।

নিহত সাফির উদ্দিন বনগ্রাম ইউনিয়নের মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে। তার আত্মীয় দিদারুল আলম রাসেল জানান, সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে প্রায় ২০ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন সাফির। সেখানে তিনি শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রিয়াদ শহরে মসজিদে ইফতার শেষে বাসায় ফেরার পথে পেছন থেকে একটি দ্রুতগামী লরি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সাফির উদ্দিনের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটি এখন দিশেহারা।

অন্যদিকে, লোহাজুরী ইউনিয়নের জামাল মিয়ার একমাত্র সন্তান হৃদয় মিয়া জীবিকার তাগিদে মাত্র এক বছর আগে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। তিনি সেখানে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মক্কা নগরীতে একটি পাঁচতলা ভবনের ছাদে রডের কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হৃদয়ের মামা মনির ফরাজী জানান, পরিবারের একমাত্র আশার প্রদীপ ছিলেন হৃদয়। তার এমন মৃত্যুতে বাবা-মায়ের আহাজারিতে গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

দুই প্রবাসীর অকাল মৃত্যুতে কটিয়াদী উপজেলার সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবার ও এলাকাবাসী সাফির উদ্দিন ও হৃদয় মিয়ার মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন:

সৌদি আরবে পৃথক দুর্ঘটনায় কিশোরগঞ্জের দুই প্রবাসী নিহত

আপডেট: ১০:২৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার দুই প্রবাসী সৌদি আরবে পৃথক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। গত বুধ ও বৃহস্পতিবার সৌদি আরবের মক্কা ও রিয়াদ শহরে এই মর্মান্তিক ঘটনাগুলো ঘটে। নিহতরা হলেন—উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের ঘিলাকান্দি গ্রামের সাফির উদ্দিন (৫৭) এবং লোহাজুরী ইউনিয়নের পূর্ব বাহেরচর গ্রামের হৃদয় মিয়া (২২)।

নিহত সাফির উদ্দিন বনগ্রাম ইউনিয়নের মৃত রইছ উদ্দিনের ছেলে। তার আত্মীয় দিদারুল আলম রাসেল জানান, সংসারের স্বচ্ছলতা ফেরাতে প্রায় ২০ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন সাফির। সেখানে তিনি শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
গত বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রিয়াদ শহরে মসজিদে ইফতার শেষে বাসায় ফেরার পথে পেছন থেকে একটি দ্রুতগামী লরি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। সাফির উদ্দিনের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটি এখন দিশেহারা।

অন্যদিকে, লোহাজুরী ইউনিয়নের জামাল মিয়ার একমাত্র সন্তান হৃদয় মিয়া জীবিকার তাগিদে মাত্র এক বছর আগে সৌদি আরব গিয়েছিলেন। তিনি সেখানে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে মক্কা নগরীতে একটি পাঁচতলা ভবনের ছাদে রডের কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত নিচে পড়ে যান তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হৃদয়ের মামা মনির ফরাজী জানান, পরিবারের একমাত্র আশার প্রদীপ ছিলেন হৃদয়। তার এমন মৃত্যুতে বাবা-মায়ের আহাজারিতে গ্রামের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।

দুই প্রবাসীর অকাল মৃত্যুতে কটিয়াদী উপজেলার সংশ্লিষ্ট গ্রামগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবার ও এলাকাবাসী সাফির উদ্দিন ও হৃদয় মিয়ার মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।