০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

আলপনায় সাজছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার: ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত জাতি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৪

অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এখন শেষ মুহূর্তের সাজসাজ রব। ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা মূল বেদী আর চারুকলার শিক্ষার্থীদের তুলির আঁচড়ে আঁকা বর্ণিল আলপনায় সেজে উঠছে ভাষা আন্দোলনের এই স্মৃতিস্তম্ভ। আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ১ মিনিট থেকেই বিনম্র শ্রদ্ধায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করতে শুরু করবে সর্বস্তরের মানুষ।

শুক্রবার সকালে শহীদ মিনার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী আলপনার কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। মূল বেদীর কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে, এখন চলছে সংলগ্ন সড়কগুলোতে আলপনা আঁকার কাজ।
চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী মেহেরুন্নেসা ইতি জানান:
“আমরা কয়েকদিন ধরেই নিরলসভাবে কাজ করছি। লাইন টানার কাজ শেষ, এখন রঙের কাজ চলছে। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পুরো এলাকাকে বর্ণিল রূপে সাজিয়ে তুলতে পারব।”

একই অনুষদের আরেক শিক্ষার্থী বিবেক কুমার বলেন, “শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মিলে একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছি। আগামীকালকের আগেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।”

শহীদ মিনারের মূল কাঠামো ধুয়ে-মুছে শুভ্র সাদা রঙের প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। মিনারের পেছনে স্থাপন করা হচ্ছে প্রতীকী লাল সূর্য। দায়িত্বরত কর্মীরা জানিয়েছেন, কাঠামোগত সব কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এছাড়া আশপাশের দেয়ালে অমর একুশের গান, বর্ণমালা এবং ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সম্বলিত গ্রাফিতি অঙ্কন করা হচ্ছে, যা পুরো এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে।

দিবসটি নির্বিঘ্নে পালনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম।
নির্ধারিত রুট ম্যাপ অনুযায়ী সাধারণ মানুষকে শহীদ মিনারে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আজ মধ্যরাত থেকেই হাতে পুষ্পস্তবক আর ঠোঁটে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গান নিয়ে শহীদ মিনারে নামবে লাখো মানুষের ঢল। রাষ্ট্রপ্রতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মিনার প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে জনসাধারণের জন্য।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন:

আলপনায় সাজছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার: ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত জাতি

আপডেট: ১০:০৪:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এখন শেষ মুহূর্তের সাজসাজ রব। ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা মূল বেদী আর চারুকলার শিক্ষার্থীদের তুলির আঁচড়ে আঁকা বর্ণিল আলপনায় সেজে উঠছে ভাষা আন্দোলনের এই স্মৃতিস্তম্ভ। আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ১ মিনিট থেকেই বিনম্র শ্রদ্ধায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করতে শুরু করবে সর্বস্তরের মানুষ।

শুক্রবার সকালে শহীদ মিনার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী আলপনার কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। মূল বেদীর কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে, এখন চলছে সংলগ্ন সড়কগুলোতে আলপনা আঁকার কাজ।
চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী মেহেরুন্নেসা ইতি জানান:
“আমরা কয়েকদিন ধরেই নিরলসভাবে কাজ করছি। লাইন টানার কাজ শেষ, এখন রঙের কাজ চলছে। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পুরো এলাকাকে বর্ণিল রূপে সাজিয়ে তুলতে পারব।”

একই অনুষদের আরেক শিক্ষার্থী বিবেক কুমার বলেন, “শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মিলে একটি সুন্দর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছি। আগামীকালকের আগেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে।”

শহীদ মিনারের মূল কাঠামো ধুয়ে-মুছে শুভ্র সাদা রঙের প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। মিনারের পেছনে স্থাপন করা হচ্ছে প্রতীকী লাল সূর্য। দায়িত্বরত কর্মীরা জানিয়েছেন, কাঠামোগত সব কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। এছাড়া আশপাশের দেয়ালে অমর একুশের গান, বর্ণমালা এবং ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সম্বলিত গ্রাফিতি অঙ্কন করা হচ্ছে, যা পুরো এলাকায় এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে।

দিবসটি নির্বিঘ্নে পালনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম।
নির্ধারিত রুট ম্যাপ অনুযায়ী সাধারণ মানুষকে শহীদ মিনারে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আজ মধ্যরাত থেকেই হাতে পুষ্পস্তবক আর ঠোঁটে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গান নিয়ে শহীদ মিনারে নামবে লাখো মানুষের ঢল। রাষ্ট্রপ্রতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মিনার প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে জনসাধারণের জন্য।