০২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কঙ্গোয় খনিতে ভয়াবহ ভূমিধস: ২০০ জনের প্রাণহানির আশঙ্কা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫৮

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি খনিতে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০০ জনের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে দেশটির সরকার।
উদ্ধারকাজে প্রতিবন্ধকতা ও বর্তমান পরিস্থিতি
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী কিনশাসা থেকে প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে:
* দুর্ঘটনাস্থল অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এলাকাটি বিদ্রোহীদের দখলে থাকায় সরকারি উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে।

ভূমিধসের শিকার খনিটি বর্তমানে এম২৩ (M23) নামক একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২১ সালে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার পর এই গোষ্ঠীটি কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের এপ্রিলে তারা খনিজসমৃদ্ধ নর্থ কিভু প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ রুবায়া খনির নিয়ন্ত্রণ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবেশী দেশ রুয়ান্ডা এই গোষ্ঠীকে সহায়তা করছে।

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে প্রায়ই খনি দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা এর পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ চিহ্নিত করেছেন:
* অবৈধ খনন: বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় নিয়মবহির্ভূতভাবে খনিজ উত্তোলন।
* নিরাপত্তার অভাব: খনিগুলোতে শ্রমিকদের সুরক্ষার কোনো ব্যবস্থা না থাকা।
* তদারকিহীনতা: সরকারি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়া।
কঙ্গো সরকার জানিয়েছে, ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর উদ্ধার অভিযান এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেশবাসীকে জানানো হবে।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

কঙ্গোয় খনিতে ভয়াবহ ভূমিধস: ২০০ জনের প্রাণহানির আশঙ্কা

আপডেট: ১০:২০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি খনিতে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০০ জনের মৃত্যু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে দেশটির সরকার।
উদ্ধারকাজে প্রতিবন্ধকতা ও বর্তমান পরিস্থিতি
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী কিনশাসা থেকে প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে:
* দুর্ঘটনাস্থল অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এলাকাটি বিদ্রোহীদের দখলে থাকায় সরকারি উদ্ধারকারী দল পৌঁছাতে বেগ পেতে হচ্ছে।

ভূমিধসের শিকার খনিটি বর্তমানে এম২৩ (M23) নামক একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ২০২১ সালে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার পর এই গোষ্ঠীটি কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের এপ্রিলে তারা খনিজসমৃদ্ধ নর্থ কিভু প্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ রুবায়া খনির নিয়ন্ত্রণ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিবেশী দেশ রুয়ান্ডা এই গোষ্ঠীকে সহায়তা করছে।

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে প্রায়ই খনি দুর্ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা এর পেছনে প্রধানত তিনটি কারণ চিহ্নিত করেছেন:
* অবৈধ খনন: বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় নিয়মবহির্ভূতভাবে খনিজ উত্তোলন।
* নিরাপত্তার অভাব: খনিগুলোতে শ্রমিকদের সুরক্ষার কোনো ব্যবস্থা না থাকা।
* তদারকিহীনতা: সরকারি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়া।
কঙ্গো সরকার জানিয়েছে, ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর উদ্ধার অভিযান এবং ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য দেশবাসীকে জানানো হবে।