১১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৫৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫৮

যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইকবাল খাঁনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দফায় দফায় চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) মামলাটি করেন বসুন্দিয়ার রেজোয়ান খাঁন রেজোর স্ত্রী মোছা. সাহিদা বেগম।

যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আছাদুল ইসলাম অভিযোগটি আমলে নিয়েছেন। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ প্রদান করেছেন।
* জমি ক্রয়: তিনি ইতিপূর্বে ইকবাল খাঁনের কাছ থেকে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যে ৬ শতক জমি ক্রয় করেন এবং সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন।
* প্রথম দফায় চাঁদা দাবি: বাড়ি নির্মাণের পর ইকবাল খাঁন হঠাৎ করে তাঁর কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জমির কাগজ সঠিকভাবে লিখে দেননি—এমন অজুহাত তুলে টাকা না দিলে ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন।
* বাধ্য হয়ে অর্থ প্রদান: প্রাণভয়ে সাহিদা বেগম অভিযুক্ত ইকবাল খাঁনকে নগদ ২ লাখ টাকা প্রদান করেন। তবে টাকা নেওয়ার পরও জমির সঠিক দলিল বুঝিয়ে দেননি ওই নেতা।
* পুনরায় ৫ লাখ টাকা দাবি: সম্প্রতি জমির প্রকৃত দলিল হস্তান্তরের দাবি জানালে ইকবাল খাঁন আরও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে সাহিদা বেগমকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় দীর্ঘদিন মুখ খোলার সাহস পাননি বাদিনী। শেষ পর্যন্ত প্রতিকার পেতে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

যশোরে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলা

আপডেট: ০৩:৫৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি ইকবাল খাঁনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দফায় দফায় চাঁদা দাবি ও হুমকির অভিযোগে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) মামলাটি করেন বসুন্দিয়ার রেজোয়ান খাঁন রেজোর স্ত্রী মোছা. সাহিদা বেগম।

যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আছাদুল ইসলাম অভিযোগটি আমলে নিয়েছেন। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ প্রদান করেছেন।
* জমি ক্রয়: তিনি ইতিপূর্বে ইকবাল খাঁনের কাছ থেকে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যে ৬ শতক জমি ক্রয় করেন এবং সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস শুরু করেন।
* প্রথম দফায় চাঁদা দাবি: বাড়ি নির্মাণের পর ইকবাল খাঁন হঠাৎ করে তাঁর কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জমির কাগজ সঠিকভাবে লিখে দেননি—এমন অজুহাত তুলে টাকা না দিলে ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন।
* বাধ্য হয়ে অর্থ প্রদান: প্রাণভয়ে সাহিদা বেগম অভিযুক্ত ইকবাল খাঁনকে নগদ ২ লাখ টাকা প্রদান করেন। তবে টাকা নেওয়ার পরও জমির সঠিক দলিল বুঝিয়ে দেননি ওই নেতা।
* পুনরায় ৫ লাখ টাকা দাবি: সম্প্রতি জমির প্রকৃত দলিল হস্তান্তরের দাবি জানালে ইকবাল খাঁন আরও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে সাহিদা বেগমকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার হুমকি দেওয়া হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় দীর্ঘদিন মুখ খোলার সাহস পাননি বাদিনী। শেষ পর্যন্ত প্রতিকার পেতে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।