০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘন কুয়াশায় মেঘনায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষ: নিহত ৪, আহত ৩

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৮৬

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে দুই যাত্রীবাহী লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা ৩৮ মিনিটের দিকে হাইমচর উপজেলার হরিণা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে বরিশাল ও ঝালকাঠিগামী এমভি অ্যাডভেঞ্চার–৯ এবং ভোলা থেকে ঢাকাগামী এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চ দুটির মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কমে আসায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত চারজনই এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চের যাত্রী ছিলেন। তারা হলেন:
* আবদুল গনি (৩৮): লালমোহন, ভোলা।
* মো. সাজু (৪৫): লালমোহন, ভোলা।
* মোসা. রিনা (৩৫): লালমোহন, ভোলা।
* মো. হানিফ (৬০): চরফ্যাশন, ভোলা।
এছাড়া মো. শাহাদত, মোহাম্মদ মিনা ও মোসা. রহিমা নামে ৩ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পরবর্তী পদক্ষেপ ও আইনি ব্যবস্থা
* লাশ উদ্ধার: শুক্রবার সকালে এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি ঢাকার সদরঘাটে পৌঁছালে নৌ থানার পুলিশ ৪ জনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
* আটক: ঝালকাঠি পৌঁছানোর পর এমভি অ্যাডভেঞ্চার–৯ লঞ্চের ৪ জন কর্মীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
* বিভ্রান্তি নিরসন: শুরুতে নিহতের সংখ্যা ৭ জন জানানো হলেও পরে সদরঘাট নৌ থানার ওসি সোহাগ রানা নিশ্চিত করেন যে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা ৪ জন।
> নোট: সদরঘাটে নিহতদের স্বজনদের কান্নায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও নৌ কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।

সর্বাধিক পঠিত

আজ বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্তে রুপির দর বাড়ল, ১০০ টাকায় মিলছে ৭৯.২০ রুপি

ঘন কুয়াশায় মেঘনায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষ: নিহত ৪, আহত ৩

আপডেট: ০৪:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে ঘন কুয়াশার কবলে পড়ে দুই যাত্রীবাহী লঞ্চের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা ৩৮ মিনিটের দিকে হাইমচর উপজেলার হরিণা এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে বরিশাল ও ঝালকাঠিগামী এমভি অ্যাডভেঞ্চার–৯ এবং ভোলা থেকে ঢাকাগামী এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চ দুটির মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা কমে আসায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহত চারজনই এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চের যাত্রী ছিলেন। তারা হলেন:
* আবদুল গনি (৩৮): লালমোহন, ভোলা।
* মো. সাজু (৪৫): লালমোহন, ভোলা।
* মোসা. রিনা (৩৫): লালমোহন, ভোলা।
* মো. হানিফ (৬০): চরফ্যাশন, ভোলা।
এছাড়া মো. শাহাদত, মোহাম্মদ মিনা ও মোসা. রহিমা নামে ৩ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পরবর্তী পদক্ষেপ ও আইনি ব্যবস্থা
* লাশ উদ্ধার: শুক্রবার সকালে এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি ঢাকার সদরঘাটে পৌঁছালে নৌ থানার পুলিশ ৪ জনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
* আটক: ঝালকাঠি পৌঁছানোর পর এমভি অ্যাডভেঞ্চার–৯ লঞ্চের ৪ জন কর্মীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
* বিভ্রান্তি নিরসন: শুরুতে নিহতের সংখ্যা ৭ জন জানানো হলেও পরে সদরঘাট নৌ থানার ওসি সোহাগ রানা নিশ্চিত করেন যে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা ৪ জন।
> নোট: সদরঘাটে নিহতদের স্বজনদের কান্নায় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ ও নৌ কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।