১১:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রদবদলের আভাস: জাহাঙ্গীর আলমের পরিবর্তে আসতে পারেন ড. খলিলুর রহমান

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৯০

দেশের চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। উচ্চপর্যায়ের সূত্র অনুযায়ী, বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে সরিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ পেতে পারেন
গত কয়েক মাস ধরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি না হওয়া এবং সংবেদনশীল কিছু ঘটনায় বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। রদবদলের নেপথ্যে প্রধানত তিনটি বিষয় কাজ করছে:
‘ইনকিলাব মঞ্চ’ ও ‘জুলাই যোদ্ধা’ গ্রুপের সদস্য শরীফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়েছে।
: সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কথা না বলে ‘আলু-পেঁয়াজের দাম’ নিয়ে মন্তব্য করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। যদিও পরবর্তীতে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, অনুষ্ঠানটি কৃষি বিষয়ক ছিল।
নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে সরকার এই পরিবর্তন আনতে চাচ্ছে।
সূত্রমতে, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে পুরোপুরি মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না। তাকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বখশ চৌধুরীকেও তার বর্তমান দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। সরকারের প্রথম স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন। তবে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তাকে সরিয়ে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে এই পদে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল। এখন দেড় বছরের মাথায় পুনরায় এই সংবেদনশীল পদে পরিবর্তনের তোড়জোড় চলছে।
উল্লেখ্য, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বরাবরই চ্যালেঞ্জিং। গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আসাদুজ্জামান খান কামাল দীর্ঘ সময় এই দায়িত্ব পালন করলেও তার সময়েও গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো গুরুতর সব বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমান সরকার এখন এই পদে একজন দক্ষ ও কার্যকর নেতৃত্ব খুঁজছে।

সর্বাধিক পঠিত

মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত ইমদাদুল হক ইমদাদ, বড় আঁচড়ায় আবারও গণসংযোগ

অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রদবদলের আভাস: জাহাঙ্গীর আলমের পরিবর্তে আসতে পারেন ড. খলিলুর রহমান

আপডেট: ০১:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশের চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। উচ্চপর্যায়ের সূত্র অনুযায়ী, বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে সরিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ পেতে পারেন
গত কয়েক মাস ধরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি না হওয়া এবং সংবেদনশীল কিছু ঘটনায় বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। রদবদলের নেপথ্যে প্রধানত তিনটি বিষয় কাজ করছে:
‘ইনকিলাব মঞ্চ’ ও ‘জুলাই যোদ্ধা’ গ্রুপের সদস্য শরীফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়েছে।
: সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কথা না বলে ‘আলু-পেঁয়াজের দাম’ নিয়ে মন্তব্য করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। যদিও পরবর্তীতে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, অনুষ্ঠানটি কৃষি বিষয়ক ছিল।
নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোর নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে সরকার এই পরিবর্তন আনতে চাচ্ছে।
সূত্রমতে, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে পুরোপুরি মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে না। তাকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বখশ চৌধুরীকেও তার বর্তমান দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। সরকারের প্রথম স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ছিলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাখাওয়াত হোসেন। তবে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তাকে সরিয়ে জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে এই পদে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল। এখন দেড় বছরের মাথায় পুনরায় এই সংবেদনশীল পদে পরিবর্তনের তোড়জোড় চলছে।
উল্লেখ্য, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বরাবরই চ্যালেঞ্জিং। গত ১৫ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আসাদুজ্জামান খান কামাল দীর্ঘ সময় এই দায়িত্ব পালন করলেও তার সময়েও গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো গুরুতর সব বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমান সরকার এখন এই পদে একজন দক্ষ ও কার্যকর নেতৃত্ব খুঁজছে।