০৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

যশোর ছাত্রদল নেতা সোহানের ওপর হামলা: ১৬ মামলার আসামি ‘চোর আলামিন’ আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৪৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৮

যশোরে সিটি কলেজ শাখা ছাত্রদল সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানের ওপর প্রকাশ্যে হামলার ঘটনায় ১৬ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আলামিন ওরফে ‘চোর আলামিন’কে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার দিনভর শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ নিয়ে এই মামলায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
গ্রেপ্তার ও পূর্ব ইতিহাস
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত আলামিন শহরের টিবি ক্লিনিক এলাকার মৃত রইচ উদ্দিনের ছেলে। ডিবি পুলিশের এসআই কামাল হোসেন জানান, আলামিনের বিরুদ্ধে পূর্বে মোট ১৬টি মামলা রয়েছে। তিনি একজন চিহ্নিত চোর এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও কারাবরণ করেছেন। শহরের একটি স্থান থেকে তাকে আটক করার পর শুক্রবার রাতে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ ও অগ্রগতি
কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাতে আলামিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে।
এই হামলার ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট চারজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যরা হলেন: মইন, তার স্ত্রী, এবং পুলেরহাটের পিয়াস। তবে মূল অভিযুক্ত রাতিন, রোহান, যুবলীগ নেতা তুহিন এবং সুহিনসহ অন্যান্যরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। পুলিশ বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
হামলার ঘটনা
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (নির্দিষ্ট তারিখ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিটি কলেজের শিক্ষার্থী আদর নির্বাচনী প্রচারণার জন্য মোটরসাইকেলে আশ্রম রোডের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় আসামি রাতিন ও তার ভাই রোহানসহ কয়েকজন আদরের মোটরসাইকেল থামিয়ে মারধর শুরু করে।
এই খবর পেয়ে ছাত্রদল নেতা সোহানুর রহমান সোহান সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে যান এবং মারধরের কারণ জানতে চান। তখনই আসামিরা সোহানের ওপর চড়াও হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, আলোচিত যুবলীগ নেতা তুহিন সোহানের মাথায় অস্ত্র ঠেকান এবং রাতিন ও রোহান তাকে জাপটে ধরে একের পর এক ছুরিকাঘাত করে। হামলাকারীরা সোহানের মোবাইল ফোন এবং কাছে থাকা ৪১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা সোহানকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় সিটি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মিজান চৌধুরী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

সর্বাধিক পঠিত

লালমনিরহাট সীমান্তের তিন পয়েন্টে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির তৎপরতায় ব্যর্থ বিএসএফ

যশোর ছাত্রদল নেতা সোহানের ওপর হামলা: ১৬ মামলার আসামি ‘চোর আলামিন’ আটক

আপডেট: ১১:৪৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

যশোরে সিটি কলেজ শাখা ছাত্রদল সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানের ওপর প্রকাশ্যে হামলার ঘটনায় ১৬ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আলামিন ওরফে ‘চোর আলামিন’কে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার দিনভর শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ নিয়ে এই মামলায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
গ্রেপ্তার ও পূর্ব ইতিহাস
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত আলামিন শহরের টিবি ক্লিনিক এলাকার মৃত রইচ উদ্দিনের ছেলে। ডিবি পুলিশের এসআই কামাল হোসেন জানান, আলামিনের বিরুদ্ধে পূর্বে মোট ১৬টি মামলা রয়েছে। তিনি একজন চিহ্নিত চোর এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও কারাবরণ করেছেন। শহরের একটি স্থান থেকে তাকে আটক করার পর শুক্রবার রাতে কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ ও অগ্রগতি
কোতোয়ালি থানার ওসি (তদন্ত) কাজী বাবুল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাতে আলামিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া চলছে।
এই হামলার ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট চারজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যরা হলেন: মইন, তার স্ত্রী, এবং পুলেরহাটের পিয়াস। তবে মূল অভিযুক্ত রাতিন, রোহান, যুবলীগ নেতা তুহিন এবং সুহিনসহ অন্যান্যরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। পুলিশ বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
হামলার ঘটনা
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (নির্দিষ্ট তারিখ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সিটি কলেজের শিক্ষার্থী আদর নির্বাচনী প্রচারণার জন্য মোটরসাইকেলে আশ্রম রোডের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় আসামি রাতিন ও তার ভাই রোহানসহ কয়েকজন আদরের মোটরসাইকেল থামিয়ে মারধর শুরু করে।
এই খবর পেয়ে ছাত্রদল নেতা সোহানুর রহমান সোহান সন্ধ্যা ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে যান এবং মারধরের কারণ জানতে চান। তখনই আসামিরা সোহানের ওপর চড়াও হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, আলোচিত যুবলীগ নেতা তুহিন সোহানের মাথায় অস্ত্র ঠেকান এবং রাতিন ও রোহান তাকে জাপটে ধরে একের পর এক ছুরিকাঘাত করে। হামলাকারীরা সোহানের মোবাইল ফোন এবং কাছে থাকা ৪১ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা সোহানকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।
এ ঘটনায় সিটি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মিজান চৌধুরী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।