০২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় গৃহায়নে কর্মকর্তাদের পদায়ন ও প্লট বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন, চেয়ারম্যানের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৮

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোসা. ফেরদৌসী বেগমের অধীনে কয়েকজন কর্মকর্তার পদায়ন, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া এবং প্লট বরাদ্দের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলাম ও মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদের ভূমিকা এবং তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন নিয়ে সংশ্লিষ্টদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সরকারি ওয়েবসাইটে মোসা. ফেরদৌসী বেগমকে চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই চেয়ারম্যান পদে যোগ দেন এবং বর্তমানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলামকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ।

দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি প্রকল্পে নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় কম মাটি ভরাট করে প্রায় ৪৮ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা করা হয়েছিল। ওই মামলায় তৎকালীন উপসহকারী প্রকৌশলী অলিউল ইসলামের নামও আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
পরবর্তী সময়ে অলিউল ইসলামকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা ও নকশা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত কর্মকর্তাদের তালিকায় তাঁকে বর্তমানে ‘নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব), পরিকল্পনা ও ডিজাইন ডিভিশন’ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
তবে কোনো মামলায় আসামি হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। মামলার বিচারিক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে অতীতে সরকারি চালান জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ওই অভিযোগের স্বাধীন সরকারি নথি বা বর্তমান আইনি অবস্থার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ফুয়াদকে ভূমি শাখাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দায়িত্ব দেওয়ার কারণে কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে ফুয়াদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

মিরপুর চিড়িয়াখানা রোড এলাকায় ৩২টি বাণিজ্যিক প্লটের বরাদ্দ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু প্লটের মালিকানা ও আইনি অবস্থান নিয়ে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও বরাদ্দের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট নথি ও আদালতের আদেশ যথাযথভাবে পর্যালোচনা না করেই কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের পক্ষে চূড়ান্ত আদালতের রায় বা কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন এই প্রতিবেদনের জন্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগের একটি অংশে মিরপুরের সেকশন-১, ব্লক-জি, হোল্ডিং নম্বর ১/১-এর জমির কথা বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পরিবারের দাবি, মৃত বন্দে আলীর নামে থাকা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি ও আদালত-সংক্রান্ত নথি রয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জমিটির বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নথি, গেজেট, খাজনা পরিশোধ এবং বিভিন্ন ইউটিলিটি সংযোগের তথ্য রয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের একজন সদস্য প্রতিবেদককে এসব তথ্য জানিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই জমি নিয়ে আদালতে রিট ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকার দাবি করা হয়েছে। তবে আদালতের সংশ্লিষ্ট আদেশের পূর্ণাঙ্গ নথি যাচাই ছাড়া এসব দাবিকে চূড়ান্ত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।

কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরে অভিযোগকারী কয়েকজনের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া এবং প্লট বরাদ্দের মতো সিদ্ধান্তে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রয়োজন।

তাঁদের প্রশ্ন, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা বা গুরুতর অভিযোগ থাকলে মামলা চলমান অবস্থায় তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের প্রশাসনিক ও আইনগত যাচাই করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক কার্যক্রমে চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের ভূমিকা নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ প্রকাশিত হলেও সব অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত বা সরকারি সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে বর্তমানে ফেরদৌসী বেগমকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখানো হয়েছে। একই ওয়েবসাইটে তাঁকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন প্লট ও জমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে রূপনগর আবাসিক প্রকল্পের হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত জমির ব্যবহার নিয়ে চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে।

চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম, নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলাম এবং মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য জানা প্রয়োজন।

আপনার দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ হবে।

অভিযোগগুলোর সত্যতা, সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা, আদালতের নিষেধাজ্ঞা এবং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চলমান মামলার বর্তমান অবস্থা—সবকিছু নথিপত্রের ভিত্তিতে যাচাই করে পরবর্তী সময়ে আরও বিস্তারিত প্রতিবেদন করা যেতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

জাতীয় গৃহায়নে কর্মকর্তাদের পদায়ন ও প্লট বরাদ্দ নিয়ে প্রশ্ন, চেয়ারম্যানের ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ

আপডেট: ১০:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোসা. ফেরদৌসী বেগমের অধীনে কয়েকজন কর্মকর্তার পদায়ন, গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া এবং প্লট বরাদ্দের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলাম ও মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদের ভূমিকা এবং তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন নিয়ে সংশ্লিষ্টদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সরকারি ওয়েবসাইটে মোসা. ফেরদৌসী বেগমকে চেয়ারম্যান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই চেয়ারম্যান পদে যোগ দেন এবং বর্তমানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলামকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ।

দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি প্রকল্পে নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় কম মাটি ভরাট করে প্রায় ৪৮ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একটি মামলা করা হয়েছিল। ওই মামলায় তৎকালীন উপসহকারী প্রকৌশলী অলিউল ইসলামের নামও আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
পরবর্তী সময়ে অলিউল ইসলামকে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা ও নকশা বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত কর্মকর্তাদের তালিকায় তাঁকে বর্তমানে ‘নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব), পরিকল্পনা ও ডিজাইন ডিভিশন’ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
তবে কোনো মামলায় আসামি হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। মামলার বিচারিক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে।

মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পদায়ন নিয়েও বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে অতীতে সরকারি চালান জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ওই অভিযোগের স্বাধীন সরকারি নথি বা বর্তমান আইনি অবস্থার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ফুয়াদকে ভূমি শাখাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দায়িত্ব দেওয়ার কারণে কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে ফুয়াদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

মিরপুর চিড়িয়াখানা রোড এলাকায় ৩২টি বাণিজ্যিক প্লটের বরাদ্দ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, কিছু প্লটের মালিকানা ও আইনি অবস্থান নিয়ে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও বরাদ্দের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট নথি ও আদালতের আদেশ যথাযথভাবে পর্যালোচনা না করেই কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের পক্ষে চূড়ান্ত আদালতের রায় বা কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন এই প্রতিবেদনের জন্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগের একটি অংশে মিরপুরের সেকশন-১, ব্লক-জি, হোল্ডিং নম্বর ১/১-এর জমির কথা বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পরিবারের দাবি, মৃত বন্দে আলীর নামে থাকা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সরকারি ও আদালত-সংক্রান্ত নথি রয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জমিটির বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নথি, গেজেট, খাজনা পরিশোধ এবং বিভিন্ন ইউটিলিটি সংযোগের তথ্য রয়েছে। এ বিষয়ে পরিবারের একজন সদস্য প্রতিবেদককে এসব তথ্য জানিয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই জমি নিয়ে আদালতে রিট ও অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা থাকার দাবি করা হয়েছে। তবে আদালতের সংশ্লিষ্ট আদেশের পূর্ণাঙ্গ নথি যাচাই ছাড়া এসব দাবিকে চূড়ান্ত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।

কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরে অভিযোগকারী কয়েকজনের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া এবং প্লট বরাদ্দের মতো সিদ্ধান্তে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রয়োজন।

তাঁদের প্রশ্ন, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা বা গুরুতর অভিযোগ থাকলে মামলা চলমান অবস্থায় তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের প্রশাসনিক ও আইনগত যাচাই করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক কার্যক্রমে চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের ভূমিকা নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ প্রকাশিত হলেও সব অভিযোগের স্বাধীন তদন্ত বা সরকারি সিদ্ধান্তের তথ্য পাওয়া যায়নি।

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে বর্তমানে ফেরদৌসী বেগমকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখানো হয়েছে। একই ওয়েবসাইটে তাঁকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন প্লট ও জমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে। একটি প্রতিবেদনে রূপনগর আবাসিক প্রকল্পের হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত জমির ব্যবহার নিয়ে চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগমের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে।

চেয়ারম্যান ফেরদৌসী বেগম, নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) মো. অলিউল ইসলাম এবং মোস্তফা হোসাইন ফুয়াদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য জানা প্রয়োজন।

আপনার দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নেওয়া গেলে প্রতিবেদনটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ হবে।

অভিযোগগুলোর সত্যতা, সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা, আদালতের নিষেধাজ্ঞা এবং কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে চলমান মামলার বর্তমান অবস্থা—সবকিছু নথিপত্রের ভিত্তিতে যাচাই করে পরবর্তী সময়ে আরও বিস্তারিত প্রতিবেদন করা যেতে পারে।