০৯:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এলজিইডির রিভার প্রকল্পের পিডির বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫০৭

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাবেক বরিশাল নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বর্তমানে সদর দপ্তরের রিভার (RIVER) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, বরিশালে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে আতিকুল ইসলাম একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। ওই সময় কাজ না করেই ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বিশেষ সুপারিশের মাধ্যমে আতিকুল ইসলাম এলজিইডি সদর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ রিভার (Resilient Infrastructure for Adaptation and Vulnerability Reduction) প্রকল্পের পিডি হিসেবে দায়িত্ব পান। সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের দাবি, তিনি এখনো আওয়ামীপন্থী হিসেবে পরিচিত কিছু ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পুনর্বাসনে ভূমিকা রাখছেন।

এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্পের দায়িত্ব তাকে দেওয়ায় এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার স্ত্রী ও সন্তান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ সেখানে স্থানান্তর করে তাদের নামে সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে।

তবে বিদেশে অর্থপাচার কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ সম্পদ থাকার বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য নথি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের তথ্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

এলজিইডির কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের দাবি, তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, আয়-ব্যয়ের তথ্য এবং বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হলে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হবে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতিকুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

এলজিইডির রিভার প্রকল্পের পিডির বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

এলজিইডির রিভার প্রকল্পের পিডির বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট: ০৯:০০:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) সাবেক বরিশাল নির্বাহী প্রকৌশলী এবং বর্তমানে সদর দপ্তরের রিভার (RIVER) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, বরিশালে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে আতিকুল ইসলাম একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। ওই সময় কাজ না করেই ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বিশেষ সুপারিশের মাধ্যমে আতিকুল ইসলাম এলজিইডি সদর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ রিভার (Resilient Infrastructure for Adaptation and Vulnerability Reduction) প্রকল্পের পিডি হিসেবে দায়িত্ব পান। সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের দাবি, তিনি এখনো আওয়ামীপন্থী হিসেবে পরিচিত কিছু ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং বিতর্কিত কর্মকর্তাদের পুনর্বাসনে ভূমিকা রাখছেন।

এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্পের দায়িত্ব তাকে দেওয়ায় এলজিইডির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচারের অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তার স্ত্রী ও সন্তান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ সেখানে স্থানান্তর করে তাদের নামে সম্পদ গড়ে তোলা হয়েছে।

তবে বিদেশে অর্থপাচার কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ সম্পদ থাকার বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য নথি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের তথ্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

এলজিইডির কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের দাবি, তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, ব্যাংক হিসাব, আয়-ব্যয়ের তথ্য এবং বিদেশে অর্থ স্থানান্তরের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হলে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হবে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রকৌশলী মোহাম্মদ আতিকুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।