যশোরে মাকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় আটক স্কুলশিক্ষক ছেলে মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। পরে পুলিশ পাহারায় তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আদালতে জবানবন্দি দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন মামুন। পরে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে পুলিশ পাহারায় তাকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন।
বর্তমানে মামুন যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চতুর্থ তলার পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, তার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল এবং তিনি আশঙ্কামুক্ত।
এর আগে, ২৭ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে যশোর সদর উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের বাজে দুর্গাপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে মা আনোয়ারা বেগম (৫৮)কে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়।
ঘটনার পরদিন ২৮ আগস্ট সকালে নিহতের বড় ছেলে ও লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মামুনুর রশিদকে তেঘরিয়া এলাকা থেকে স্থানীয়রা আটক করেন। পরে তাকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোরের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মায়ের হত্যার ঘটনায় আটক মামুনকে আদালতে হাজির করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলাকালেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় তার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সম্পন্ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।




















