যশোরের কেশবপুর পৌর শহরের সাহাপাড়া এলাকায় মা গৌরী অধিকারীকে হত্যার ঘটনায় মেয়ে দীপ্তি অধিকারী সাধনাকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা কেশবপুর থানার এসআই সঞ্জয় কুমার দাস আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন।
নিহত গৌরী অধিকারী মণিরামপুর উপজেলার নাগরঘোপ গ্রামের মৃত অরুণ অধিকারীর স্ত্রী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীপ্তি অধিকারী সাধনার বিয়ে হয়েছিল মণিরামপুরের নাগরঘোপ গ্রামে। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর মাঝেমধ্যে তিনি মায়ের বাড়ি কেশবপুরে বেড়াতে আসতেন।
চলতি বছরের ২৪ এপ্রিল মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন দীপ্তি। ওই রাতে মা-মেয়ের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে দীপ্তি তার মায়ের মাথার পেছনে বটি দিয়ে আঘাত করেন বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই গৌরী অধিকারীর মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং দীপ্তি অধিকারী সাধনাকে আটক করে। পরে নিহতের ছেলে তাপস অধিকারী বাদী হয়ে তার বোনকে আসামি করে কেশবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে চার্জশিট
মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আসামির দেওয়া তথ্য ও বিভিন্ন সাক্ষীর বক্তব্য পর্যালোচনা করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দীপ্তি অধিকারী সাধনার সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেয়েছে বলে জানিয়েছে।
এর ভিত্তিতে তাকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সঞ্জয় কুমার দাস।
এখন আদালতে মামলাটির পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলবে। চার্জশিটে উত্থাপিত অভিযোগের বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণের ভিত্তিতেই আসামির দায় চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।




















