১১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

চৌগাছায় চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে হত্যার হুমকি, ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০১

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যশোরের চৌগাছা বাজারে এক ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে হামলা, চাঁদা দাবি, ভাঙচুর, টাকা লুট এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে সিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও চৌগাছা নিড়িবিলিপাড়া এলাকার আতিকুর রহমান লেন্টু বাদী হয়ে যশোরের চৌগাছা আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি ১৪৩, ৪৪৮, ৩৮৫, ৩৮৬, ৩৮৭ ও ৫০৬ ধারায় রুজু হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন— চৌগাছার নিড়িবিলিপাড়া এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলাম ও মনিরুল ইসলাম, মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে ইসহাক আলী ও সোহাগ, ইসহাক আলীর ছেলে নাঈমুজ্জামান সুমন এবং আবদুর সবুরের ছেলে শফিকুল ইসলাম। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে চৌগাছা বাজারের ‘চৌগাছা-টু-কোটচাঁদপুর’ সড়কে অবস্থিত মেহেদী হাসান শয়নের মালিকানাধীন ‘শয়ন ট্রেডার্স’ প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাদীর কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। ঘটনার দিন তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে চাঁদা দাবি করে। এ সময় বাদীর ছেলে মেহেদী হাসান শয়ন ও স্থানীয়রা বাধা দিলে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়ে নগদ টাকা লুট করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনাস্থল ত্যাগের আগে আসামিরা হুমকি দিয়ে যায় যে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিলে বাদী ও তার ছেলেকে হত্যা করে লাশ গুম করা হবে এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়া হবে।

ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এবং থানায় মামলা গ্রহণে আইনি জটিলতা থাকায় আদালতের শরণাপন্ন হন বাদী।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুস্তাকিম মোস্তফা খান জানান, আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছেন। বাদীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ বলেন, “আদালতের মামলার কপি হাতে পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সর্বাধিক পঠিত

চৌগাছায় চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে হত্যার হুমকি, ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

চৌগাছায় চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে হত্যার হুমকি, ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

আপডেট: ১১:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যশোরের চৌগাছা বাজারে এক ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে হামলা, চাঁদা দাবি, ভাঙচুর, টাকা লুট এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে সিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও চৌগাছা নিড়িবিলিপাড়া এলাকার আতিকুর রহমান লেন্টু বাদী হয়ে যশোরের চৌগাছা আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি ১৪৩, ৪৪৮, ৩৮৫, ৩৮৬, ৩৮৭ ও ৫০৬ ধারায় রুজু হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন— চৌগাছার নিড়িবিলিপাড়া এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে তরিকুল ইসলাম ও মনিরুল ইসলাম, মৃত মনির উদ্দিনের ছেলে ইসহাক আলী ও সোহাগ, ইসহাক আলীর ছেলে নাঈমুজ্জামান সুমন এবং আবদুর সবুরের ছেলে শফিকুল ইসলাম। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে চৌগাছা বাজারের ‘চৌগাছা-টু-কোটচাঁদপুর’ সড়কে অবস্থিত মেহেদী হাসান শয়নের মালিকানাধীন ‘শয়ন ট্রেডার্স’ প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাদীর কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। ঘটনার দিন তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে চাঁদা দাবি করে। এ সময় বাদীর ছেলে মেহেদী হাসান শয়ন ও স্থানীয়রা বাধা দিলে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়ে নগদ টাকা লুট করা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনাস্থল ত্যাগের আগে আসামিরা হুমকি দিয়ে যায় যে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিলে বাদী ও তার ছেলেকে হত্যা করে লাশ গুম করা হবে এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়া হবে।

ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এবং থানায় মামলা গ্রহণে আইনি জটিলতা থাকায় আদালতের শরণাপন্ন হন বাদী।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুস্তাকিম মোস্তফা খান জানান, আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছেন। বাদীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ বলেন, “আদালতের মামলার কপি হাতে পাওয়ার পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”