১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে ক্যাডেট এএসআই নিয়োগের শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা শেষ, উত্তীর্ণ ২১০ প্রার্থী

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:১৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ৫৫৪

যশোর জেলায় বাংলাদেশ পুলিশের ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬-এর তৃতীয় ও শেষ দিনে শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের চারটি ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সকাল ৭টা থেকে যশোর পুলিশ লাইন্স মাঠে জেলা রিক্রুট নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম-এর উপস্থিতিতে এ পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।

নিয়োগ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা পুশ-আপ, সিট-আপ, ড্র্যাগিং এবং রোপ ক্লাইম্বিং—এই চারটি শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের সর্বোচ্চ দক্ষতা প্রদর্শনের চেষ্টা করেন। পরীক্ষা শেষে মোট ২১০ জন প্রার্থী পরবর্তী ধাপের জন্য উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০২ জন পুরুষ এবং ৮ জন নারী প্রার্থী রয়েছেন।

পরীক্ষার প্রথম ইভেন্ট ছিল পুশ-আপ। এতে পুরুষ প্রার্থীদের ৪০ সেকেন্ডে ১৫টি এবং নারী প্রার্থীদের ৩০ সেকেন্ডে ১০টি পুশ-আপ সম্পন্ন করতে হয়। দ্বিতীয় ইভেন্ট সিট-আপে পুরুষদের ৪০ সেকেন্ডে ১৫টি এবং নারীদের ৩০ সেকেন্ডে ১০টি সিট-আপ সম্পন্ন করার শর্ত ছিল।

তৃতীয় ইভেন্ট ড্র্যাগিংয়ে পুরুষ প্রার্থীদের ১৬০ পাউন্ড ওজন ৩০ ফুট এবং নারী প্রার্থীদের ১২০ পাউন্ড ওজন ২০ মিটার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টেনে নিয়ে যেতে হয়। সর্বশেষ রোপ ক্লাইম্বিং ইভেন্টে পুরুষদের ১২ ফুট এবং নারীদের ৮ ফুট উচ্চতায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দড়ি বেয়ে উঠতে হয়।

জেলা রিক্রুট নিয়োগ বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি ইভেন্টে সফলভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই আগামী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।

শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা শেষে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। তিনি সফল প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে পরবর্তী ধাপের পরীক্ষার জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানান। একই সঙ্গে যারা এবার উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তাদের হতাশ না হয়ে ভবিষ্যতের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া এবং নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় জেলা রিক্রুট নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্য, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ এবং নিয়োগ কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে সকল ধাপ কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

চৌগাছা কাঁচাবাজারে ১৮ অবৈধ দোকান, জায়গা না পেয়ে ফিরছেন কৃষক-ব্যাপারী

যশোরে ক্যাডেট এএসআই নিয়োগের শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা শেষ, উত্তীর্ণ ২১০ প্রার্থী

আপডেট: ১০:১৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

যশোর জেলায় বাংলাদেশ পুলিশের ক্যাডেট এএসআই (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬-এর তৃতীয় ও শেষ দিনে শারীরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের চারটি ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সকাল ৭টা থেকে যশোর পুলিশ লাইন্স মাঠে জেলা রিক্রুট নিয়োগ বোর্ডের সভাপতি ও যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম-এর উপস্থিতিতে এ পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।

নিয়োগ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা পুশ-আপ, সিট-আপ, ড্র্যাগিং এবং রোপ ক্লাইম্বিং—এই চারটি শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে নিজেদের সর্বোচ্চ দক্ষতা প্রদর্শনের চেষ্টা করেন। পরীক্ষা শেষে মোট ২১০ জন প্রার্থী পরবর্তী ধাপের জন্য উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০২ জন পুরুষ এবং ৮ জন নারী প্রার্থী রয়েছেন।

পরীক্ষার প্রথম ইভেন্ট ছিল পুশ-আপ। এতে পুরুষ প্রার্থীদের ৪০ সেকেন্ডে ১৫টি এবং নারী প্রার্থীদের ৩০ সেকেন্ডে ১০টি পুশ-আপ সম্পন্ন করতে হয়। দ্বিতীয় ইভেন্ট সিট-আপে পুরুষদের ৪০ সেকেন্ডে ১৫টি এবং নারীদের ৩০ সেকেন্ডে ১০টি সিট-আপ সম্পন্ন করার শর্ত ছিল।

তৃতীয় ইভেন্ট ড্র্যাগিংয়ে পুরুষ প্রার্থীদের ১৬০ পাউন্ড ওজন ৩০ ফুট এবং নারী প্রার্থীদের ১২০ পাউন্ড ওজন ২০ মিটার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টেনে নিয়ে যেতে হয়। সর্বশেষ রোপ ক্লাইম্বিং ইভেন্টে পুরুষদের ১২ ফুট এবং নারীদের ৮ ফুট উচ্চতায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দড়ি বেয়ে উঠতে হয়।

জেলা রিক্রুট নিয়োগ বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি ইভেন্টে সফলভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই আগামী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও মেধার ভিত্তিতে মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়।

শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষা শেষে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। তিনি সফল প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে পরবর্তী ধাপের পরীক্ষার জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানান। একই সঙ্গে যারা এবার উত্তীর্ণ হতে পারেননি, তাদের হতাশ না হয়ে ভবিষ্যতের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া এবং নিয়মিত শারীরিক অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় জেলা রিক্রুট নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্য, পুলিশ সদর দপ্তর থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ এবং নিয়োগ কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে সকল ধাপ কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।