১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

যশোরের চৌগাছায় বাওড়ের নৈশপ্রহরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ৫১৪

যশোরের চৌগাছা উপজেলায় একটি বাওড়ের নৈশপ্রহরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহত আতিয়ার রহমান (৫৫) যশোর সদর উপজেলার লস্করপুর গ্রামের ছবেদ আলীর ছেলে। তিনি বেড়গোবিন্দপুর বাওড়ের নৈশপ্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২০ জুন) রাতে আতিয়ার রহমান বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

রোববার (২১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বেড়গোবিন্দপুর বাওড় সংলগ্ন একটি খালের কচুরিপানার নিচে তার মরদেহ ভাসতে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে চৌগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশীদ জানান, আতিয়ার রহমান নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাওড়ে মোটর বসিয়ে সেচের পানি বিক্রি করতেন। প্রাথমিকভাবে তার সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাওড়ে মাছ চুরির ঘটনায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।

ওসি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশ কাজ করছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয়দের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

সর্বাধিক পঠিত

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খুলতে আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

যশোরের চৌগাছায় বাওড়ের নৈশপ্রহরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

আপডেট: ১০:০০:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

যশোরের চৌগাছা উপজেলায় একটি বাওড়ের নৈশপ্রহরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহত আতিয়ার রহমান (৫৫) যশোর সদর উপজেলার লস্করপুর গ্রামের ছবেদ আলীর ছেলে। তিনি বেড়গোবিন্দপুর বাওড়ের নৈশপ্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২০ জুন) রাতে আতিয়ার রহমান বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

রোববার (২১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বেড়গোবিন্দপুর বাওড় সংলগ্ন একটি খালের কচুরিপানার নিচে তার মরদেহ ভাসতে দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে চৌগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশীদ জানান, আতিয়ার রহমান নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাওড়ে মোটর বসিয়ে সেচের পানি বিক্রি করতেন। প্রাথমিকভাবে তার সঙ্গে কারও ব্যক্তিগত বিরোধের তথ্য পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাওড়ে মাছ চুরির ঘটনায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে থাকতে পারে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।

ওসি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশ কাজ করছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয়দের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাটির রহস্য উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।