১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

আবারও কেঁপে উঠল বাংলাদেশ, রাতের ভূমিকম্পে ছড়াল আতঙ্ক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:১৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • ৫০৯

দেশের বিভিন্ন স্থানে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ৯টা ২৯ মিনিটে অনুভূত এ কম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৪, যা তুলনামূলকভাবে মৃদু মাত্রার বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের মণিপুর অঞ্চলে। উৎপত্তিস্থলটি ঢাকার প্রায় ৩৬১ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। এ কারণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভূকম্পন অনুভূত হয়।

তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানি বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে আকস্মিক এ কম্পনে অনেক স্থানে মানুষের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ বাসাবাড়ি ও ভবন থেকে বেরিয়ে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেন।

এর আগে গত ১১ জুন রাত ৯টা ৪০ মিনিটেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। ইউরোপীয় মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছিল, ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৫। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের শিলচর অঞ্চল, যা সিলেটের করিমগঞ্জ সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় মাঝেমধ্যেই এ ধরনের মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হতে পারে। তাই যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা ও প্রস্তুতি জরুরি।

তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য না পাওয়া গেলেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 

সর্বাধিক পঠিত

ঝিনাইদহের মহেশপুরে যমজ কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিলেন স্বামী

আবারও কেঁপে উঠল বাংলাদেশ, রাতের ভূমিকম্পে ছড়াল আতঙ্ক

আপডেট: ১১:১৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

দেশের বিভিন্ন স্থানে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ৯টা ২৯ মিনিটে অনুভূত এ কম্পনের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৪, যা তুলনামূলকভাবে মৃদু মাত্রার বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের মণিপুর অঞ্চলে। উৎপত্তিস্থলটি ঢাকার প্রায় ৩৬১ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। এ কারণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভূকম্পন অনুভূত হয়।

তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানি বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে আকস্মিক এ কম্পনে অনেক স্থানে মানুষের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ বাসাবাড়ি ও ভবন থেকে বেরিয়ে নিরাপদ স্থানে অবস্থান নেন।

এর আগে গত ১১ জুন রাত ৯টা ৪০ মিনিটেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। ইউরোপীয় মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছিল, ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ৫। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের শিলচর অঞ্চল, যা সিলেটের করিমগঞ্জ সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় মাঝেমধ্যেই এ ধরনের মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হতে পারে। তাই যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতনতা ও প্রস্তুতি জরুরি।

তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য না পাওয়া গেলেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।