০১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

‘হলফনামায় মিথ্যা তথ্য’ অভিযোগে এমপি পদ হারাতে পারেন হান্নান মাসউদ, দাবি বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁনের

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:২৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ৫১২

নির্বাচনী হলফনামায় অসত্য তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে হাতিয়া আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল হতে পারে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। সোমবার (১৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

পোস্টে রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, সম্প্রতি একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে হান্নান মাসউদ নিজেই হলফনামায় অসত্য তথ্য দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও আয়কর সংক্রান্ত সুবিধার কথা বিবেচনা করে আইনজীবীর পরামর্শে ওই তথ্য দেওয়া হয়েছিল।

রাশেদ খাঁন দাবি করেন, যদি হান্নান মাসউদের বক্তব্য সত্য হয়ে থাকে, তাহলে তার নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া তথ্যের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তিনি এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী অবস্থানের কথাও উল্লেখ করেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহর একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, কোনো প্রার্থী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে নির্বাচন কমিশন ভোটের পরও তদন্ত করতে পারে এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তার প্রার্থিতা বাতিলসহ সংসদ সদস্য পদও হারাতে হতে পারে।

এছাড়া রাশেদ খাঁন তার পোস্টে হান্নান মাসউদের সম্পদ, আয় ও ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, এমপির সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য ও হলফনামায় দেওয়া তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে।

তবে এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো তদন্ত বা পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সর্বাধিক পঠিত

ঝিনাইদহের মহেশপুরে যমজ কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিলেন স্বামী

‘হলফনামায় মিথ্যা তথ্য’ অভিযোগে এমপি পদ হারাতে পারেন হান্নান মাসউদ, দাবি বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁনের

আপডেট: ০২:২৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

নির্বাচনী হলফনামায় অসত্য তথ্য দেওয়ার অভিযোগ তুলে হাতিয়া আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল হতে পারে বলে দাবি করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। সোমবার (১৫ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

পোস্টে রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, সম্প্রতি একটি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়ে হান্নান মাসউদ নিজেই হলফনামায় অসত্য তথ্য দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে ব্যবসা-বাণিজ্য ও আয়কর সংক্রান্ত সুবিধার কথা বিবেচনা করে আইনজীবীর পরামর্শে ওই তথ্য দেওয়া হয়েছিল।

রাশেদ খাঁন দাবি করেন, যদি হান্নান মাসউদের বক্তব্য সত্য হয়ে থাকে, তাহলে তার নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া তথ্যের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তিনি এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী অবস্থানের কথাও উল্লেখ করেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহর একটি বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, কোনো প্রার্থী হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিলে নির্বাচন কমিশন ভোটের পরও তদন্ত করতে পারে এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তার প্রার্থিতা বাতিলসহ সংসদ সদস্য পদও হারাতে হতে পারে।

এছাড়া রাশেদ খাঁন তার পোস্টে হান্নান মাসউদের সম্পদ, আয় ও ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, এমপির সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য ও হলফনামায় দেওয়া তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে।

তবে এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো তদন্ত বা পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়া হয়নি।