০১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

৭ মাসেও নিষ্পত্তি হয়নি শেখ হাসিনার সাজা বাড়ানোর আপিল

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৫৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • ৫১৭

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দমনকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায় নিয়ে করা আপিল সাত মাস পার হলেও এখনো চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার আপিলও শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা এবং আপিল নিষ্পত্তির জন্য ৬০ দিনের বিধান থাকলেও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ সময়সীমা নির্দেশনামূলক (ডাইরেক্টরি)। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি না হলেও তার কার্যকারিতা বহাল থাকে।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান দমনকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের এক মামলার রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে একটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং আরেকটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা আরও কঠোর করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবিতে প্রসিকিউশন আপিল করে। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই আপিলের শুনানি এখনো শেষ হয়নি।

ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম জানান, আপিল নিষ্পত্তির জন্য ৬০ দিনের বিধান থাকলেও তা বাধ্যতামূলক নয়। ফলে নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলেও আপিল অকার্যকর হয়ে যায় না এবং বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান থাকে।

তিনি আরও বলেন, প্রসিকিউশন এখনো শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেনি। এ কারণে আপিল শুনানির উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। একই পরিস্থিতিতে রয়েছে জুলাই অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট চাঁনখারপুল হত্যাযজ্ঞ এবং আশুলিয়ায় হত্যা ও মরদেহ পোড়ানোর মামলার আপিল কার্যক্রমও।

এদিকে জুলাই হত্যাযজ্ঞ-সংক্রান্ত পৃথক মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবউল আলম হানিফ এবং জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এসব মামলার রায় চলতি মাসের মধ্যেই ঘোষণা হতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত

ঝিনাইদহের মহেশপুরে যমজ কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিলেন স্বামী

৭ মাসেও নিষ্পত্তি হয়নি শেখ হাসিনার সাজা বাড়ানোর আপিল

আপডেট: ০১:৫৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দমনকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া রায় নিয়ে করা আপিল সাত মাস পার হলেও এখনো চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার আপিলও শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য ৩০ দিনের সময়সীমা এবং আপিল নিষ্পত্তির জন্য ৬০ দিনের বিধান থাকলেও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ সময়সীমা নির্দেশনামূলক (ডাইরেক্টরি)। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি না হলেও তার কার্যকারিতা বহাল থাকে।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান দমনকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের এক মামলার রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে একটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং আরেকটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে দেওয়া সাজা আরও কঠোর করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবিতে প্রসিকিউশন আপিল করে। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই আপিলের শুনানি এখনো শেষ হয়নি।

ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম জানান, আপিল নিষ্পত্তির জন্য ৬০ দিনের বিধান থাকলেও তা বাধ্যতামূলক নয়। ফলে নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলেও আপিল অকার্যকর হয়ে যায় না এবং বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান থাকে।

তিনি আরও বলেন, প্রসিকিউশন এখনো শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারেনি। এ কারণে আপিল শুনানির উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। একই পরিস্থিতিতে রয়েছে জুলাই অভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট চাঁনখারপুল হত্যাযজ্ঞ এবং আশুলিয়ায় হত্যা ও মরদেহ পোড়ানোর মামলার আপিল কার্যক্রমও।

এদিকে জুলাই হত্যাযজ্ঞ-সংক্রান্ত পৃথক মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবউল আলম হানিফ এবং জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এসব মামলার রায় চলতি মাসের মধ্যেই ঘোষণা হতে পারে।