১০:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, মাহমুদা জামান ও দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:২৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ৫০৯

যশোর প্রতিনিধি:
ব্যাংক থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাত এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে যশোরের বহুল আলোচিত মাহমুদা জামান ও তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যশোর শহরের পুরাতন কসবার কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা হেদায়েত হোসেনের ছেলে মিরাজ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন যশোর সদর উপজেলার সদুল্যাপুর গ্রামের বাসিন্দা মাহমুদা জামান এবং তার দুই ভাই শামীম হোসেন ও মাহিম হোসেন।

আদালতে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা বিভিন্ন সময়ে নিজেদের ব্যাংক কর্মকর্তা, এনজিওর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কিংবা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। এভাবেই মাহমুদা জামানের সঙ্গে বাদী মিরাজ হোসেনের পরিচয় ও সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।

একপর্যায়ে মাহমুদা জামান ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৫ লাখ টাকা ও কয়েকটি ব্ল্যাংক চেকের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান। তার কথায় বিশ্বাস করে মিরাজ হোসেন ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে আসামিদের মোট ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা দেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দুই মাসের মধ্যে ঋণের ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ঋণ অনুমোদন হয়নি। পরে টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১ মার্চ দুপুরে জেল রোড এলাকায় অবস্থিত মিরাজ হোসেনের কর্মস্থল হেলাল বুক ডিপোতে গিয়ে আসামিরা তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। এ সময় পাওনা টাকা চাইলে তাকে মারধরের চেষ্টা করা হয় এবং টাকা ফেরত দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে মিরাজ হোসেন আদালতের দ্বারস্থ হয়ে মামলা করেন।

এদিকে, মাহমুদা জামানের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব মামলার কয়েকটিতে তিনি কারাভোগও করেছেন।

সর্বাধিক পঠিত

বাগেরহাটে কৃষক দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা,

ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, মাহমুদা জামান ও দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট: ০৯:২৯:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

যশোর প্রতিনিধি:
ব্যাংক থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাত এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে যশোরের বহুল আলোচিত মাহমুদা জামান ও তার দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যশোর শহরের পুরাতন কসবার কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা হেদায়েত হোসেনের ছেলে মিরাজ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন যশোর সদর উপজেলার সদুল্যাপুর গ্রামের বাসিন্দা মাহমুদা জামান এবং তার দুই ভাই শামীম হোসেন ও মাহিম হোসেন।

আদালতে দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা বিভিন্ন সময়ে নিজেদের ব্যাংক কর্মকর্তা, এনজিওর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কিংবা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। এভাবেই মাহমুদা জামানের সঙ্গে বাদী মিরাজ হোসেনের পরিচয় ও সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।

একপর্যায়ে মাহমুদা জামান ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৫ লাখ টাকা ও কয়েকটি ব্ল্যাংক চেকের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান। তার কথায় বিশ্বাস করে মিরাজ হোসেন ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট থেকে ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে আসামিদের মোট ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা দেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দুই মাসের মধ্যে ঋণের ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ঋণ অনুমোদন হয়নি। পরে টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১ মার্চ দুপুরে জেল রোড এলাকায় অবস্থিত মিরাজ হোসেনের কর্মস্থল হেলাল বুক ডিপোতে গিয়ে আসামিরা তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান। এ সময় পাওনা টাকা চাইলে তাকে মারধরের চেষ্টা করা হয় এবং টাকা ফেরত দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হলে মিরাজ হোসেন আদালতের দ্বারস্থ হয়ে মামলা করেন।

এদিকে, মাহমুদা জামানের বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব মামলার কয়েকটিতে তিনি কারাভোগও করেছেন।