০২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ঝিকরগাছায় ১৮ মাসের সন্তানকে নিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা, এলাকায় শোকের ছায়া

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:২৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • ৫০৯

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারন ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামে ১৮ মাস বয়সী শিশুপুত্রকে সঙ্গে নিয়ে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূ রেবেকা খাতুন (৩০) শরিফপুর গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী। তার সঙ্গে মারা যায় তাদের ১৮ মাস বয়সী ছেলে সোহরাব হোসেন।

খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে রেবেকা খাতুনের সঙ্গে তার বড় বোনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিরোধের জের ধরেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

নিহতের শ্বশুর রবিউল ইসলাম ও শাশুড়ি পরিছন বেগম জানান, জমিজমা বিক্রি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে রেবেকা ও তার বড় বোন সাফিয়া বেগমের মধ্যে মতবিরোধ ছিল।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে রেবেকার বড় বোন সাফিয়া বেগম দাবি করেন, স্বামী জনি মিয়ার নির্যাতনের কারণেই রেবেকা আত্মহত্যা করেছেন।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বাধিক পঠিত

বাগেরহাটে কৃষক দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা,

ঝিকরগাছায় ১৮ মাসের সন্তানকে নিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা, এলাকায় শোকের ছায়া

আপডেট: ০৯:২৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারন ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামে ১৮ মাস বয়সী শিশুপুত্রকে সঙ্গে নিয়ে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূ রেবেকা খাতুন (৩০) শরিফপুর গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী। তার সঙ্গে মারা যায় তাদের ১৮ মাস বয়সী ছেলে সোহরাব হোসেন।

খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে রেবেকা খাতুনের সঙ্গে তার বড় বোনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিরোধের জের ধরেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

নিহতের শ্বশুর রবিউল ইসলাম ও শাশুড়ি পরিছন বেগম জানান, জমিজমা বিক্রি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে রেবেকা ও তার বড় বোন সাফিয়া বেগমের মধ্যে মতবিরোধ ছিল।

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে রেবেকার বড় বোন সাফিয়া বেগম দাবি করেন, স্বামী জনি মিয়ার নির্যাতনের কারণেই রেবেকা আত্মহত্যা করেছেন।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।