১১:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোর জেনারেল হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ আদালতের

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৪৬:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ৫৯০

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ১০ মাস বয়সী শিশু নাজমার মৃত্যুর ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদ আমলে নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার সঞ্জয় পাল, যশোর সদর আমলী আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, স্বপ্রণোদিত হয়ে কোতয়ালি থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এ নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে দায়িত্ব পালনকারী এক আয়ার বিরুদ্ধে ১০০ টাকা বকশিস না পেয়ে অসুস্থ শিশুর অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেওয়ার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। এরপর আদালত ঘটনার সত্যতা যাচাই করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

জানা যায়, গত রোববার বিকেলে শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা নুর ইসলামের ১০ মাস বয়সী মেয়ে নাজমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। সে সময় হাসপাতালের চতুর্থ তলার শিশু ওয়ার্ড থেকে তাকে নিচে নামানো হচ্ছিল।

শিশুটির স্বজনদের অভিযোগ, দায়িত্বে থাকা আয়া নাজমা বেগম বকশিস হিসেবে ১০০ টাকা না পেয়ে শিশুটির মুখ থেকে অক্সিজেন মাস্ক সরিয়ে দেন। তাদের দাবি, এর পরপরই শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতালজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগ কর্মী টিপু সুলতান আটক

যশোর জেনারেল হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ আদালতের

আপডেট: ০৭:৪৬:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ১০ মাস বয়সী শিশু নাজমার মৃত্যুর ঘটনায় প্রকাশিত সংবাদ আমলে নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার সঞ্জয় পাল, যশোর সদর আমলী আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, স্বপ্রণোদিত হয়ে কোতয়ালি থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) এ নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতালে দায়িত্ব পালনকারী এক আয়ার বিরুদ্ধে ১০০ টাকা বকশিস না পেয়ে অসুস্থ শিশুর অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেওয়ার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। এরপর আদালত ঘটনার সত্যতা যাচাই করে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

জানা যায়, গত রোববার বিকেলে শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা নুর ইসলামের ১০ মাস বয়সী মেয়ে নাজমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। সে সময় হাসপাতালের চতুর্থ তলার শিশু ওয়ার্ড থেকে তাকে নিচে নামানো হচ্ছিল।

শিশুটির স্বজনদের অভিযোগ, দায়িত্বে থাকা আয়া নাজমা বেগম বকশিস হিসেবে ১০০ টাকা না পেয়ে শিশুটির মুখ থেকে অক্সিজেন মাস্ক সরিয়ে দেন। তাদের দাবি, এর পরপরই শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতালজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছে সংশ্লিষ্টরা।