০৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

যশোরে ইয়াবা সিন্ডিকেটের কল রেকর্ড ফাঁস জেরিনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও হানি ট্র্যাপ চক্রের অভিযোগ

যশোরের আলোচিত নারী মাদক কারবারি জেরিন সুলতানার একাধিক কল রেকর্ড ফাঁস হওয়ায় জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি যশোর ও মাগুরার বিভিন্ন এলাকায় বড় বড় ইয়াবার চালান সরবরাহ করে আসছেন।

সম্প্রতি ২০ হাজার পিস ইয়াবার একটি চালানের অর্থ লেনদেন নিয়ে কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে জেরিনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হলেও রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।


অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ইয়াবার চালান এনে যশোর সদর ও চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছে দিতেন জেরিন সুলতানা। অভিযোগ রয়েছে, নিজস্ব সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তিনি মাদকের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন।

এছাড়া একাধিক নারীকে ব্যবহার করে হানি ট্র্যাপ চক্র পরিচালনার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ চক্রের মাধ্যমে অন্তত এক ডজন যুবককে ফাঁদে ফেলার তথ্য মিলেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

সাম্প্রতিক সময়ে ফাঁস হওয়া আরও কয়েকটি অডিও রেকর্ডে ইয়াবার বড় চালানের অর্থ গড়মিল, অস্ত্র সরবরাহ এবং নাইন এমএম বিদেশি পিস্তলের বিনিময়ে মাদক লেনদেনের বিষয় উঠে এসেছে। এসব তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বেড়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জেরিন সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে শ্রমিক নেতা মিজুনের কবর জিয়ারত, পরিবারের পাশে যুবদল নেতা শহীদ

যশোরে ইয়াবা সিন্ডিকেটের কল রেকর্ড ফাঁস জেরিনের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও হানি ট্র্যাপ চক্রের অভিযোগ

আপডেট: ০৫:৩৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

যশোরের আলোচিত নারী মাদক কারবারি জেরিন সুলতানার একাধিক কল রেকর্ড ফাঁস হওয়ায় জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তিনি যশোর ও মাগুরার বিভিন্ন এলাকায় বড় বড় ইয়াবার চালান সরবরাহ করে আসছেন।

সম্প্রতি ২০ হাজার পিস ইয়াবার একটি চালানের অর্থ লেনদেন নিয়ে কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও বিভিন্ন গণমাধ্যমে জেরিনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত হলেও রহস্যজনক কারণে তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।


অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে ইয়াবার চালান এনে যশোর সদর ও চৌগাছা উপজেলার বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীর কাছে পৌঁছে দিতেন জেরিন সুলতানা। অভিযোগ রয়েছে, নিজস্ব সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তিনি মাদকের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন।

এছাড়া একাধিক নারীকে ব্যবহার করে হানি ট্র্যাপ চক্র পরিচালনার অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ চক্রের মাধ্যমে অন্তত এক ডজন যুবককে ফাঁদে ফেলার তথ্য মিলেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

সাম্প্রতিক সময়ে ফাঁস হওয়া আরও কয়েকটি অডিও রেকর্ডে ইয়াবার বড় চালানের অর্থ গড়মিল, অস্ত্র সরবরাহ এবং নাইন এমএম বিদেশি পিস্তলের বিনিময়ে মাদক লেনদেনের বিষয় উঠে এসেছে। এসব তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বেড়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এই সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জেরিন সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।