ঈদুল আজহা উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমায় সারাদেশে চারজন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির অবশিষ্ট সাজা মওকুফ করে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের একজন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দিকেও মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
রবিবার সন্ধ্যায় চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পান কয়েদি নম্বর ২৩০৫/এ আব্দুল মালেক। তিনি চুয়াডাঙ্গা শহরের বুজরুক গড়গড়ি মাদ্রাসাপাড়ার মৃত মোন্তাজ মালিতার ছেলে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের জেলার মনির হোসেন জানান, রাষ্ট্রপতির সাধারণ ক্ষমার আওতায় এবারের ঈদুল আজহায় দেশের চারজন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদির সাজা মওকুফ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে চুয়াডাঙ্গা কারাগারে থাকা আব্দুল মালেককে মুক্তি দেওয়া হয়।
কারা সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মালেক একটি হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত ছিলেন। মামলার তথ্য অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের সেশন মামলা নম্বর ১০০/২০০৮ এবং চুয়াডাঙ্গা থানার মামলা নম্বর ০৮, তারিখ ১১ জুন ২০০৭, জিআর নম্বর ১৯৬/২০০৭, দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত হন।
তিনি প্রায় ১১ বছর কারাভোগ করেছেন। রবিবার বিকেলে রাষ্ট্রপতির ক্ষমার আদেশসংক্রান্ত কাগজপত্র ই-মেইলে কারাগারে পৌঁছানোর পর যাচাই-বাছাই শেষে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
মুক্তির সময় কারাফটকে তার স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে তাকে একটি লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি প্রদান করা হয়। এছাড়া কারা কর্তৃপক্ষ তার অনাদায়ী পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড পরিশোধ করে এবং তাকে নগদ এক হাজার টাকা সম্মাননা হিসেবে প্রদান করে।




















