যশোরে চাঁদাবাজি, হামলা, বোমা বিস্ফোরণ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে আর.এস গ্রুপ। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, গত ১২ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে মিলন, মামুন, ফাতেমা, সিফাতসহ ৬-৭ জনের একটি কিশোর গ্যাং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আর.এস টাওয়ারের তৃতীয় তলায় চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত চেম্বারে প্রবেশ করে। এসময় তারা অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। বাধা দিতে গেলে কর্মচারীদের মারধর করা হয় এবং অফিসের লকার থেকে নগদ টাকা নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন পলাতক ছিল বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
আরও অভিযোগ করা হয়, অভিযুক্তরা মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, তারা অতীতে যশোর সদর হাসপাতাল জামে মসজিদের সামনে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের গাড়িতে হামলার ঘটনাতেও জড়িত ছিল।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, গত ১৪ মে ২০২৬ তারিখে অভিযুক্তরা চেয়ারম্যানের বাসভবনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায়। এসময় পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। পরে ১৬ মে কোতোয়ালি থানায় এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
আর.এস গ্রুপের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অভিযুক্তরা পূর্বে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। বর্তমানে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে তারা মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে চেয়ারম্যানের পরিবারকে হয়রানি করছে। এমনকি ঘটনার দিন আর.এস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রিপন দেশের বাইরে অবস্থান করলেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নাম জড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা চেয়ারম্যান ও তার পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।




















