১১:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

যশোরের বাঘারপাড়ায় ফেনসিডিল মামলায় এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

যশোরের বাঘারপাড়ায় ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক সুরুজ মিয়াকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফেজিয়া হাফজা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত সুরুজ মিয়া মানিকগঞ্জ জেলার শিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের একেন আলীর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সেলিম রেজা ময়না।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের এক সন্ধ্যায় খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা খাজুরা ফিলিং স্টেশনের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় যশোর থেকে আসা একটি লোকাল বাস সেখানে থামে। বাস থেকে নেমে সুরুজ মিয়া একটি চটের বস্তা নিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের সন্দেহ হয়।

পুলিশ তাকে দাঁড়াতে বললে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে বস্তা তল্লাশি করলে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এএসআই মাসুদুর রহমান বাঘারপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন এসআই আমিরুল হক খান।

আদালত রায়ে সুরুজ মিয়াকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

সর্বাধিক পঠিত

বিসিবির কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ায় শান্তনু ইসলাম সুমিতকে অভিনন্দন জানালেন আতিকুজ্জামান সনি

যশোরের বাঘারপাড়ায় ফেনসিডিল মামলায় এক ব্যক্তির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট: ০৮:০৯:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

যশোরের বাঘারপাড়ায় ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক সুরুজ মিয়াকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ফেজিয়া হাফজা এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত সুরুজ মিয়া মানিকগঞ্জ জেলার শিংগাইর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের একেন আলীর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সেলিম রেজা ময়না।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের এক সন্ধ্যায় খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা খাজুরা ফিলিং স্টেশনের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় যশোর থেকে আসা একটি লোকাল বাস সেখানে থামে। বাস থেকে নেমে সুরুজ মিয়া একটি চটের বস্তা নিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের সন্দেহ হয়।

পুলিশ তাকে দাঁড়াতে বললে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাকে আটক করে বস্তা তল্লাশি করলে ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় খাজুরা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এএসআই মাসুদুর রহমান বাঘারপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করেন এসআই আমিরুল হক খান।

আদালত রায়ে সুরুজ মিয়াকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।