০৩:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

যুবলীগ নেতার হাত থেকে জমি উদ্ধার ও নিরাপত্তার দাবিতে যশোরে নাজমুন নাহারের সংবাদ সম্মেলন

যশোরের নোয়াপাড়া ইউনিয়নে জমি দখল, দীর্ঘদিনের হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নাজমুন নাহার মুক্তি নামের এক নারী। বুধবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি যুবলীগ নেতা হাদিউজ্জামান চিমা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।

লিখিত বক্তব্যে নাজমুন নাহার মুক্তি বলেন, ৪ নম্বর নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে তার মালিকানাধীন জমি দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক দখল করে বসবাস করে আসছিলেন যুবলীগ নেতা হাদিউজ্জামান চিমা ও তার পরিবারের সদস্যরা। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করেন, জমি দখলের পর থেকে চিমা ও তার সহযোগীরা একাধিকবার তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে এবং বোমা নিক্ষেপ করেছে। পরে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

মুক্তি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট জমিটি হাউজিং এস্টেটের আওতাভুক্ত হওয়ায় তিনি হাউজিং কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ মে হাউজিং কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে জমিটি দখলমুক্ত করে দেয়।

তবে জমি দখলমুক্ত হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা তার সন্তানদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, “আমার বড় সন্তানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে এবং রাস্তাঘাটে যেকোনো স্থানে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে।”

নাজমুন নাহার মুক্তির দাবি, তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কের মধ্যে জীবনযাপন করছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার স্বামীও সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন। ওই সময়ও থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে তারা ভয়ভীতি প্রদর্শন, জাল দলিল তৈরি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সম্পত্তির সুরক্ষা, দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার বাবা তোফায়েল আহমেদ, প্রতিবেশী সিরাজ খাঁ ও আব্দুল্লাহ আল আজাদ।

যুবলীগ নেতার হাত থেকে জমি উদ্ধার ও নিরাপত্তার দাবিতে যশোরে নাজমুন নাহারের সংবাদ সম্মেলন

যুবলীগ নেতার হাত থেকে জমি উদ্ধার ও নিরাপত্তার দাবিতে যশোরে নাজমুন নাহারের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: ০৩:০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

যশোরের নোয়াপাড়া ইউনিয়নে জমি দখল, দীর্ঘদিনের হয়রানি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নাজমুন নাহার মুক্তি নামের এক নারী। বুধবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি যুবলীগ নেতা হাদিউজ্জামান চিমা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।

লিখিত বক্তব্যে নাজমুন নাহার মুক্তি বলেন, ৪ নম্বর নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে তার মালিকানাধীন জমি দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক দখল করে বসবাস করে আসছিলেন যুবলীগ নেতা হাদিউজ্জামান চিমা ও তার পরিবারের সদস্যরা। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে প্রশাসনের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করেন, জমি দখলের পর থেকে চিমা ও তার সহযোগীরা একাধিকবার তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে এবং বোমা নিক্ষেপ করেছে। পরে তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

মুক্তি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট জমিটি হাউজিং এস্টেটের আওতাভুক্ত হওয়ায় তিনি হাউজিং কর্তৃপক্ষের কাছেও অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ মে হাউজিং কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে জমিটি দখলমুক্ত করে দেয়।

তবে জমি দখলমুক্ত হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যরা তার সন্তানদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, “আমার বড় সন্তানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে এবং রাস্তাঘাটে যেকোনো স্থানে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়েছে।”

নাজমুন নাহার মুক্তির দাবি, তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কের মধ্যে জীবনযাপন করছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার স্বামীও সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন। ওই সময়ও থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে তারা ভয়ভীতি প্রদর্শন, জাল দলিল তৈরি এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সম্পত্তির সুরক্ষা, দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তার বাবা তোফায়েল আহমেদ, প্রতিবেশী সিরাজ খাঁ ও আব্দুল্লাহ আল আজাদ।