১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

১৯ বছরের প্রতীক্ষার অবসান: যশোর হাসপাতালের সিসিইউ পূর্ণাঙ্গ চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:১৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৫৩০

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) পরিপূর্ণভাবে চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এর ফলে দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে অবহেলায় পড়ে থাকা এই ইউনিটটি অবশেষে আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে।

যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী **অনিন্দ্য ইসলাম অমিত** বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যশোরবাসীকে দেওয়া তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ইউনিটটি চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের আমলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে যশোরে এই পূর্ণাঙ্গ সিসিইউ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সে সময় ভবন নির্মাণ এবং মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জামও কেনা সম্পন্ন হয়। কিন্তু ২০০৯ সালে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অবহেলায় ইউনিটটি আর চালু করা সম্ভব হয়নি।

সম্প্রতি সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সময় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেছিলেন, “দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে অত্যন্ত মূল্যবান যন্ত্রপাতিগুলো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে। সরকারি অর্থের এই অপচয় এবং কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার খেসারত দিতে হয়েছে যশোরবাসীকে।”

যশোরের সিভিল সার্জন **ডা. মাসুদ রানা** বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, প্রতিমন্ত্রী মহোদয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়ে তাদের অবহিত করেছেন। সিভিল সার্জন বলেন:

> “আমরা ইতিমধ্যে দাপ্তরিক কাজ (অফিস ওয়ার্ক) শুরু করার নির্দেশনা পেয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ শুরু হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই সাধারণ মানুষ এখানে উন্নত হৃদরোগ সেবা পাবেন।”

যশোরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সিসিইউ ইউনিটটি সচল করা। জরুরি হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের ঢাকা বা খুলনায় নেওয়ার পথে অনেকের মৃত্যু ঘটে। প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি নির্দেশনার পর স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা দ্রুত এর বাস্তবায়ন দেখতে উন্মুখ হয়ে আছেন।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে সোনা, ডলার ও ওষুধ চোরাচালানের ‘ডন’ ইকরামুলের বিরুদ্ধে বিজিবির মামলা

১৯ বছরের প্রতীক্ষার অবসান: যশোর হাসপাতালের সিসিইউ পূর্ণাঙ্গ চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট: ১০:১৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) পরিপূর্ণভাবে চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এর ফলে দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে অবহেলায় পড়ে থাকা এই ইউনিটটি অবশেষে আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে।

যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী **অনিন্দ্য ইসলাম অমিত** বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যশোরবাসীকে দেওয়া তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ইউনিটটি চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের আমলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে যশোরে এই পূর্ণাঙ্গ সিসিইউ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সে সময় ভবন নির্মাণ এবং মূল্যবান চিকিৎসা সরঞ্জামও কেনা সম্পন্ন হয়। কিন্তু ২০০৯ সালে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অবহেলায় ইউনিটটি আর চালু করা সম্ভব হয়নি।

সম্প্রতি সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপনের সময় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেছিলেন, “দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে অত্যন্ত মূল্যবান যন্ত্রপাতিগুলো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে। সরকারি অর্থের এই অপচয় এবং কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার খেসারত দিতে হয়েছে যশোরবাসীকে।”

যশোরের সিভিল সার্জন **ডা. মাসুদ রানা** বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, প্রতিমন্ত্রী মহোদয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয়ে তাদের অবহিত করেছেন। সিভিল সার্জন বলেন:

> “আমরা ইতিমধ্যে দাপ্তরিক কাজ (অফিস ওয়ার্ক) শুরু করার নির্দেশনা পেয়েছি। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ শুরু হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই সাধারণ মানুষ এখানে উন্নত হৃদরোগ সেবা পাবেন।”

যশোরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সিসিইউ ইউনিটটি সচল করা। জরুরি হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের ঢাকা বা খুলনায় নেওয়ার পথে অনেকের মৃত্যু ঘটে। প্রধানমন্ত্রীর এই সরাসরি নির্দেশনার পর স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং তারা দ্রুত এর বাস্তবায়ন দেখতে উন্মুখ হয়ে আছেন।