০৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন পণ্য বিক্রির দায়ে বিসমিল্লাহ স্টোরকে ১ লাখ টাকা দণ্ড

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:১১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ৫১০

যশোরের শার্শা এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, উৎপাদনের তারিখবিহীন এবং অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে তৈরি শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় বিসমিল্লাহ স্টোর নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানে বিপুল পরিমাণ অনিরাপদ শিশু খাদ্য জব্দ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঠিকানাবিহীন একটি ফ্যাক্টরিতে তৈরি এসব খাদ্য দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল।

ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তাদের ভাষ্য, এসব খাদ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ উপাদান, ক্ষতিকর রং এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি ছিল। ফলে এসব খাদ্য শিশুদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এমনকি কিডনি বিকলসহ বিভিন্ন জটিল রোগ হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে বলে তারা জানান।

অভিযান শেষে প্রতিষ্ঠানটির মালিক বিল্লাল হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা এবং ৪৫ ধারায় আরও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন মো. সেলিমুজ্জামান। এ সময় শার্শা থানা পুলিশ ও যশোর জেলা পুলিশের একটি টিম সহযোগিতা করে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ক্রেতাদেরও পণ্য কেনার আগে মেয়াদ, উৎপাদন তথ্য ও মান যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিতর্কিত মন্তব্যের পর ক্ষমা চাইলেন বাউল শিল্পী হাসিনা সরকার

শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ ও অনুমোদনহীন পণ্য বিক্রির দায়ে বিসমিল্লাহ স্টোরকে ১ লাখ টাকা দণ্ড

আপডেট: ০৬:১১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

যশোরের শার্শা এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, উৎপাদনের তারিখবিহীন এবং অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে তৈরি শিশু খাদ্য বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় বিসমিল্লাহ স্টোর নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানে বিপুল পরিমাণ অনিরাপদ শিশু খাদ্য জব্দ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঠিকানাবিহীন একটি ফ্যাক্টরিতে তৈরি এসব খাদ্য দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল।

ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তাদের ভাষ্য, এসব খাদ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ উপাদান, ক্ষতিকর রং এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি ছিল। ফলে এসব খাদ্য শিশুদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এমনকি কিডনি বিকলসহ বিভিন্ন জটিল রোগ হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে বলে তারা জানান।

অভিযান শেষে প্রতিষ্ঠানটির মালিক বিল্লাল হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৩৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা এবং ৪৫ ধারায় আরও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন মো. সেলিমুজ্জামান। এ সময় শার্শা থানা পুলিশ ও যশোর জেলা পুলিশের একটি টিম সহযোগিতা করে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ক্রেতাদেরও পণ্য কেনার আগে মেয়াদ, উৎপাদন তথ্য ও মান যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।