০৮:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬

শ্বশুরবাড়িতে জামাই হত্যার ঘটনায় স্ত্রী ও শ্যালক গ্রেপ্তার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৩৩:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • ৫১৮

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়িতে জামাই আক্তারুজ্জামান রুবেলকে (২৫) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নিহতের স্ত্রী জেসমিন খাতুন (২৩) এবং শ্যালক মিজানুর রহমান (৩৮)।
বৃহস্পতিবার রাতে র‍্যাব-১৩, রংপুরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। গাজীপুরের বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকা থেকে যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
নিহত আক্তারুজ্জামান রুবেল কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল তরফদারের ছেলে। প্রায় পাঁচ বছর আগে জেসমিন খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে নানা পারিবারিক বিরোধ চলছিল।
গত ১৭ এপ্রিল পারিবারিক কলহের জেরে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে রুবেল শ্বশুরবাড়িতে গেলে সেখানে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্ত্রী জেসমিন, শ্যালক মিজানুর এবং আরও কয়েকজন মিলে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে রুবেলকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল নিহতের বাবা আব্দুল জলিল তরফদার বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর র‍্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল বিকেলে র‍্যাব-১৩ (রংপুর) এবং র‍্যাব-১ (উত্তরা)-এর যৌথ অভিযানে গাজীপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র‍্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার Biplob Kumar Goswami জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

কারাগার থেকে গৃহবন্দী সু চি?

শ্বশুরবাড়িতে জামাই হত্যার ঘটনায় স্ত্রী ও শ্যালক গ্রেপ্তার

আপডেট: ১০:৩৩:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শ্বশুরবাড়িতে জামাই আক্তারুজ্জামান রুবেলকে (২৫) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নিহতের স্ত্রী জেসমিন খাতুন (২৩) এবং শ্যালক মিজানুর রহমান (৩৮)।
বৃহস্পতিবার রাতে র‍্যাব-১৩, রংপুরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। গাজীপুরের বাসন থানার কলম্বিয়া রোড এলাকা থেকে যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
নিহত আক্তারুজ্জামান রুবেল কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বাসিন্দা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল তরফদারের ছেলে। প্রায় পাঁচ বছর আগে জেসমিন খাতুনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তবে বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে নানা পারিবারিক বিরোধ চলছিল।
গত ১৭ এপ্রিল পারিবারিক কলহের জেরে জেসমিন খাতুন বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে রুবেল শ্বশুরবাড়িতে গেলে সেখানে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ অনুযায়ী, পূর্বপরিকল্পিতভাবে স্ত্রী জেসমিন, শ্যালক মিজানুর এবং আরও কয়েকজন মিলে বাঁশের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে রুবেলকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৪ এপ্রিল রাতে তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় ২৫ এপ্রিল নিহতের বাবা আব্দুল জলিল তরফদার বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর র‍্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর ২৯ এপ্রিল বিকেলে র‍্যাব-১৩ (রংপুর) এবং র‍্যাব-১ (উত্তরা)-এর যৌথ অভিযানে গাজীপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র‍্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার Biplob Kumar Goswami জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।