১২:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে বিদায়ী বছরে ৬০ খুন: নেপথ্যে রাজনৈতিক বিরোধ ও পরকীয়া

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:২০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৯৩

বিদায়ী ২০২৫ সালে যশোর জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। বছরজুড়ে রাজনৈতিক বিরোধ, পারিবারিক কলহ এবং পরকীয়ার জেরে জেলাটিতে মোট ৬০ জন খুন হয়েছেন। জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
যশোর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মাসভিত্তিক খুনের সংখ্যা ছিল নিম্নরূপ:
* সর্বোচ্চ হত্যাকাণ্ড: জুন মাসে (৮টি), মে ও অক্টোবর মাসে (৭টি করে)।
* অন্যান্য মাস: মার্চ, এপ্রিল, জুলাই ও আগস্টে ৬টি করে; জানুয়ারিতে ৪টি; ফেব্রুয়ারি ও নভেম্বরে ৩টি করে এবং সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বরে ২টি করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আবুল বাশার জানান, অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল রাজনৈতিক দলাদলি, স্বজনদের মধ্যে জমিজমা বা ব্যক্তিগত বিরোধ এবং পরকীয়া সংক্রান্ত জটিলতা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রতিটি ঘটনার তদন্ত করছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ খুনের রহস্য (মোটিভ) উদঘাটিত হয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত মূল অভিযুক্তদের অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এক বছরে ৬০টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জেলাজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। তবে পুলিশ দাবি করছে, তারা অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে এবং বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

যশোরে বিদায়ী বছরে ৬০ খুন: নেপথ্যে রাজনৈতিক বিরোধ ও পরকীয়া

আপডেট: ০৪:২০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

বিদায়ী ২০২৫ সালে যশোর জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। বছরজুড়ে রাজনৈতিক বিরোধ, পারিবারিক কলহ এবং পরকীয়ার জেরে জেলাটিতে মোট ৬০ জন খুন হয়েছেন। জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
যশোর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মাসভিত্তিক খুনের সংখ্যা ছিল নিম্নরূপ:
* সর্বোচ্চ হত্যাকাণ্ড: জুন মাসে (৮টি), মে ও অক্টোবর মাসে (৭টি করে)।
* অন্যান্য মাস: মার্চ, এপ্রিল, জুলাই ও আগস্টে ৬টি করে; জানুয়ারিতে ৪টি; ফেব্রুয়ারি ও নভেম্বরে ৩টি করে এবং সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বরে ২টি করে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আবুল বাশার জানান, অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল রাজনৈতিক দলাদলি, স্বজনদের মধ্যে জমিজমা বা ব্যক্তিগত বিরোধ এবং পরকীয়া সংক্রান্ত জটিলতা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রতিটি ঘটনার তদন্ত করছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ খুনের রহস্য (মোটিভ) উদঘাটিত হয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত মূল অভিযুক্তদের অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এক বছরে ৬০টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জেলাজুড়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। তবে পুলিশ দাবি করছে, তারা অপরাধ দমনে সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে এবং বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।