০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রীর শোক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৩৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৭৪

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই শোক প্রকাশ করেন।
ইসহাক দার তার বার্তায় বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের সংবাদে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি প্রার্থনা করেন যেন মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতের উচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং এই কঠিন সময়ে তার পরিজনকে ধৈর্য ধারণের শক্তি দেন।
বিশ্ব গণমাধ্যমের দৃষ্টিতে খালেদা জিয়া
বেগম জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলো তার প্রয়াণকে ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি যুগের অবসান’ হিসেবে অভিহিত করেছে। প্রতিবেদনে তাকে সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং নারী নেতৃত্বের অগ্রদূত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৯৮১ সালে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর রাজনীতিতে সক্রিয় হন বেগম জিয়া। তার রাজনৈতিক জীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক:
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন: নব্বইয়ের দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্ব দিয়ে তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন।
১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে ২০০১ সালেও তিনি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
: চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বারবার কারাবরণ করলেও দেশ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি।
বেগম জিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই রাজধানীসহ সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়, গুলশানের বাসভবন এবং এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে। প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো দেখতে আসা মানুষের দীর্ঘশ্বাস আর কান্নায় এক ভারী পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোর ৬টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৯ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই কিংবদন্তি নেত্রী। তার মৃত্যুতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও রাষ্ট্রপ্রধানদের শোকবার্তা আসা অব্যাহত রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রীর শোক

আপডেট: ১০:৩৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই শোক প্রকাশ করেন।
ইসহাক দার তার বার্তায় বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের সংবাদে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি প্রার্থনা করেন যেন মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতের উচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং এই কঠিন সময়ে তার পরিজনকে ধৈর্য ধারণের শক্তি দেন।
বিশ্ব গণমাধ্যমের দৃষ্টিতে খালেদা জিয়া
বেগম জিয়ার মৃত্যুতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমগুলো তার প্রয়াণকে ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি যুগের অবসান’ হিসেবে অভিহিত করেছে। প্রতিবেদনে তাকে সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং নারী নেতৃত্বের অগ্রদূত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
১৯৮১ সালে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর রাজনীতিতে সক্রিয় হন বেগম জিয়া। তার রাজনৈতিক জীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক:
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন: নব্বইয়ের দশকে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্ব দিয়ে তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন।
১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরে ২০০১ সালেও তিনি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
: চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বারবার কারাবরণ করলেও দেশ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে কখনো আপস করেননি।
বেগম জিয়ার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই রাজধানীসহ সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়, গুলশানের বাসভবন এবং এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা গেছে। প্রিয় নেত্রীকে শেষবারের মতো দেখতে আসা মানুষের দীর্ঘশ্বাস আর কান্নায় এক ভারী পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোর ৬টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৯ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন এই কিংবদন্তি নেত্রী। তার মৃত্যুতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও রাষ্ট্রপ্রধানদের শোকবার্তা আসা অব্যাহত রয়েছে।