০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভোটকেন্দ্র সংস্কার ও সড়ক মেরামতে ইসির বিশেষ নির্দেশনা স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:১৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৮০

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং যাতায়াত ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার, সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং সংকীর্ণ বা ভাঙা রাস্তা মেরামতের জন্য স্থানীয় সরকার
কমিশনের সিদ্ধান্ত ও চিঠির বিবরণ: রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নির্ধারিত ভোটগ্রহণের দিনকে সামনে রেখে নির্বাচনকালীন প্রস্তুতিমূলক কাজের গতি বাড়াতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অধিকতর সহজ করা হয়েছে প্রক্রিয়া: সাধারণত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর যেকোনো উন্নয়ন বা সংস্কারমূলক কাজে নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হয়। তবে এবারের নির্দেশনায় ইসি স্পষ্ট করেছে যে:
ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা স্থাপনা সংস্কার ও মেরামত।
নিরাপত্তার স্বার্থে ভোটকেন্দ্রে নতুন সিসি ক্যামেরা স্থাপন বা পুরাতন ক্যামেরা স
ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য ভাঙা ও সরু রাস্তা জরুরি ভিত্তিতে মেরামত।
এই কাজগুলোর ক্ষেত্রে এখন থেকে নির্বাচন কমিশনের পৃথক কোনো সম্মতির প্রয়োজন হবে না। কমিশন মনে করছে, ভোটারদের যাতায়াত সহজ করতে এবং কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই কাজগুলো দ্রুত শেষ করা জরুরি।
প্রেক্ষাপট: ঘোষিত সময়সূচী অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে ইতিমধ্যে দেশজুড়ে ভোটকেন্দ্র চূড়ান্তকরণ এবং নির্বাচনী সরঞ্জাম সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে যাতায়াত ব্যবস্থা সচল রাখা এবং কেন্দ্রগুলোকে ভোটগ্রহণের উপযোগী করে গড়ে তুলতেই ইসি এই বিশেষ ছাড় দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামো এবং রাস্তা সংস্কারের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে অবাধে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে, যাতে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে সব প্রস্তুতি সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

ভোটকেন্দ্র সংস্কার ও সড়ক মেরামতে ইসির বিশেষ নির্দেশনা স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি

আপডেট: ০১:১৭:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামো উন্নয়ন এবং যাতায়াত ব্যবস্থা নির্বিঘ্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার, সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং সংকীর্ণ বা ভাঙা রাস্তা মেরামতের জন্য স্থানীয় সরকার
কমিশনের সিদ্ধান্ত ও চিঠির বিবরণ: রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নির্ধারিত ভোটগ্রহণের দিনকে সামনে রেখে নির্বাচনকালীন প্রস্তুতিমূলক কাজের গতি বাড়াতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অধিকতর সহজ করা হয়েছে প্রক্রিয়া: সাধারণত নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর যেকোনো উন্নয়ন বা সংস্কারমূলক কাজে নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমতির প্রয়োজন হয়। তবে এবারের নির্দেশনায় ইসি স্পষ্ট করেছে যে:
ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা স্থাপনা সংস্কার ও মেরামত।
নিরাপত্তার স্বার্থে ভোটকেন্দ্রে নতুন সিসি ক্যামেরা স্থাপন বা পুরাতন ক্যামেরা স
ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য ভাঙা ও সরু রাস্তা জরুরি ভিত্তিতে মেরামত।
এই কাজগুলোর ক্ষেত্রে এখন থেকে নির্বাচন কমিশনের পৃথক কোনো সম্মতির প্রয়োজন হবে না। কমিশন মনে করছে, ভোটারদের যাতায়াত সহজ করতে এবং কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই কাজগুলো দ্রুত শেষ করা জরুরি।
প্রেক্ষাপট: ঘোষিত সময়সূচী অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে ইতিমধ্যে দেশজুড়ে ভোটকেন্দ্র চূড়ান্তকরণ এবং নির্বাচনী সরঞ্জাম সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে যাতায়াত ব্যবস্থা সচল রাখা এবং কেন্দ্রগুলোকে ভোটগ্রহণের উপযোগী করে গড়ে তুলতেই ইসি এই বিশেষ ছাড় দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামো এবং রাস্তা সংস্কারের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে অবাধে কাজ করার অনুমতি দিয়েছে, যাতে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে সব প্রস্তুতি সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়।