১২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ ও ধর্ষণ: নাটোরের প্রধান শিক্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:২৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৬৭

নাটোরের একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় তার স্কুলের প্রধান শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালত।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মহিদুজ্জামান মুহিত এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হলেন নাটোরের মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ফিরোজ আহমেদ (৪৫)।
ঘটনার বিবরণ:
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মুন্সি আবুল কালাম আজাদ নিশ্চিত করেন যে প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ তার নিজ স্কুলের এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন। ২০২২ সালের ১ অক্টোবর সকালে ওই ছাত্রী ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে স্কুলে গেলে ফিরোজ আহমেদ স্কুলের মূল ফটকের সামনে থেকে তাকে ডেকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে অপহরণ করেন।
আইনি প্রক্রিয়া:
পথচারীরা এই ঘটনা দেখে ছাত্রীর পরিবারকে জানালে তারা দ্রুত থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ এবং তার দুই ভাইসহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
আদালতের রায়:
শুনানি শেষে আদালত প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদকে দুটি পৃথক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন। এর মধ্যে এক ধারায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তার দুই ভাইকে আদালত খালাস দেন।
পিপি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফিরোজ আহমেদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পরপরই পুলিশ তাকে কারাগারে প্রেরণ করে।

সর্বাধিক পঠিত

প্রতারণা মামলায় বিদিশা সিদ্দিকের জামিন, মুক্তিতে নেই আইনি বাধা

এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ ও ধর্ষণ: নাটোরের প্রধান শিক্ষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট: ০৩:২৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

নাটোরের একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় তার স্কুলের প্রধান শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালত।
মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মহিদুজ্জামান মুহিত এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হলেন নাটোরের মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ফিরোজ আহমেদ (৪৫)।
ঘটনার বিবরণ:
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মুন্সি আবুল কালাম আজাদ নিশ্চিত করেন যে প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ তার নিজ স্কুলের এক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করেছিলেন। ২০২২ সালের ১ অক্টোবর সকালে ওই ছাত্রী ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে স্কুলে গেলে ফিরোজ আহমেদ স্কুলের মূল ফটকের সামনে থেকে তাকে ডেকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে অপহরণ করেন।
আইনি প্রক্রিয়া:
পথচারীরা এই ঘটনা দেখে ছাত্রীর পরিবারকে জানালে তারা দ্রুত থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ এবং তার দুই ভাইসহ মোট তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
আদালতের রায়:
শুনানি শেষে আদালত প্রধান শিক্ষক ফিরোজ আহমেদকে দুটি পৃথক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন। এর মধ্যে এক ধারায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর ধারায় ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তার দুই ভাইকে আদালত খালাস দেন।
পিপি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফিরোজ আহমেদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পরপরই পুলিশ তাকে কারাগারে প্রেরণ করে।