মোবাইল ফোনে ইমার্জেন্সি ব্যালেন্সের সর্বোচ্চ সীমা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছেন দেশের মোবাইল অপারেটরগুলো। এ বিষয়ে অপারেটরদের মধ্যে সমঝোতা হলেও নতুন সীমা কার্যকরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সার্ভিস ফি নির্ধারণ এখনও বাকি রয়েছে।
বর্তমানে দেশের চারটি মোবাইল অপারেটর গ্রাহকদের ১০ থেকে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স সুবিধা দিয়ে আসছে। ২০১৯ সাল থেকে চালু থাকা এ সেবায় ১০ টাকা পর্যন্ত কোনো সার্ভিস ফি নেওয়া হয় না। তবে এর বেশি পরিমাণ ব্যালেন্স নিলে গ্রাহকদের ২ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে প্রায় ৭ টাকা পর্যন্ত সার্ভিস ফি দিতে হয়।
গ্রাহকদের জরুরি যোগাযোগের সুবিধা বাড়াতে চলতি বছরের মার্চে ইমার্জেন্সি ব্যালেন্সের সর্বোচ্চ সীমা ২ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছিল গ্রামীণফোন। তবে অতিরিক্ত অর্থ অনাদায়ী থাকার ঝুঁকি এবং বাজারে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ প্রস্তাবে আপত্তি জানায় রবি ও বাংলালিংক।
পরে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশনায় মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব আলোচনার মাধ্যমে একটি সমন্বিত প্রস্তাব তৈরি করে। এর অংশ হিসেবে গত ২০ আগস্ট ইমার্জেন্সি ব্যালেন্সের সর্বোচ্চ সীমা ৫০০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাহেদ আলম জানান, ইমার্জেন্সি ব্যালেন্সের সীমা অতিরিক্ত বাড়ানো হলে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের হার কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অন্যদিকে, বাজারে প্রতিযোগিতার ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বাংলালিংক।
এদিকে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী জানিয়েছেন, ইমার্জেন্সি ব্যালেন্সের সার্ভিস ফি নিয়ে আলোচনা চলছে। পরবর্তী কমিশন সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে গ্রাহকরা সর্বোচ্চ কত টাকা ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স নিতে পারবেন এবং এ জন্য কত সার্ভিস ফি দিতে হবে, তা কমিশনের সিদ্ধান্তের পরই স্পষ্ট হবে।




















