০৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

রাকসুর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:২৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১০

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যয়ের নামে রাকসুর ফান্ড থেকে অতিরিক্ত অর্থ খরচ করা হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ হিসাব প্রকাশ এবং অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠনের দাবি জানান তারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। একই পর্দায় রাকসুও খেলা দেখিয়েছে। তবে এ আয়োজনের ব্যয়ে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, ছাত্রদলের আয়োজনে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা, অথচ একই ধরনের আয়োজনে রাকসুর ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এত বড় ব্যয়ের কারণ জানতে রাকসুর বিভিন্ন সম্পাদকদের কাছে হিসাব চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সুলতান আহমেদ রাহী আরও বলেন, রাকসুর বিভিন্ন খাতের ব্যয়ের হিসাব শিক্ষার্থীদের সামনে প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে শিক্ষার্থীদের অর্থের সঠিক হিসাব নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

তবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাকসু ভিপি মোস্তাকুর জাহিদ। তিনি বলেন, রাকসুর অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ে সব ধরনের ব্যয়ের হিসাব বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, রাকসুর বর্তমান মেয়াদ শেষ হতে এখনো দুই মাসের বেশি সময় রয়েছে। বিভিন্ন খাতে করা ব্যয়ের ভাউচার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই জমা দেওয়া হবে। পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী অডিটও হবে।

তিনি আরও বলেন, হিসাব বুঝিয়ে দিতে না পারলে অবশ্যই প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে হিসাব দেওয়ার নির্ধারিত সময়ের আগেই এ ধরনের বিক্ষোভ ও অভিযোগকে বিতর্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও অডিটের মাধ্যমে প্রকৃত হিসাব স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সর্বাধিক পঠিত

জমি নিয়ে বিরোধে যশোরে লাঠির আঘাতে যুবক আহত

রাকসুর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

আপডেট: ০২:২৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যয়ের নামে রাকসুর ফান্ড থেকে অতিরিক্ত অর্থ খরচ করা হয়েছে। এ বিষয়ে যথাযথ হিসাব প্রকাশ এবং অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠনের দাবি জানান তারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। একই পর্দায় রাকসুও খেলা দেখিয়েছে। তবে এ আয়োজনের ব্যয়ে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, ছাত্রদলের আয়োজনে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা, অথচ একই ধরনের আয়োজনে রাকসুর ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এত বড় ব্যয়ের কারণ জানতে রাকসুর বিভিন্ন সম্পাদকদের কাছে হিসাব চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সুলতান আহমেদ রাহী আরও বলেন, রাকসুর বিভিন্ন খাতের ব্যয়ের হিসাব শিক্ষার্থীদের সামনে প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে শিক্ষার্থীদের অর্থের সঠিক হিসাব নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

তবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাকসু ভিপি মোস্তাকুর জাহিদ। তিনি বলেন, রাকসুর অর্থ আত্মসাতের কোনো সুযোগ নেই। নির্ধারিত সময়ে সব ধরনের ব্যয়ের হিসাব বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, রাকসুর বর্তমান মেয়াদ শেষ হতে এখনো দুই মাসের বেশি সময় রয়েছে। বিভিন্ন খাতে করা ব্যয়ের ভাউচার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই জমা দেওয়া হবে। পরবর্তীতে নিয়ম অনুযায়ী অডিটও হবে।

তিনি আরও বলেন, হিসাব বুঝিয়ে দিতে না পারলে অবশ্যই প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে হিসাব দেওয়ার নির্ধারিত সময়ের আগেই এ ধরনের বিক্ষোভ ও অভিযোগকে বিতর্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত ও অডিটের মাধ্যমে প্রকৃত হিসাব স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।