০১:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

কেশবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, পুনর্নিরীক্ষণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১০

যশোরের কেশবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ভাইবা পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণ এবং মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে স্বচ্ছভাবে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচনের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন পরীক্ষার্থীরা।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কেশবপুর উপজেলা চত্বরে চার দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

কর্মসূচি চলাকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রেকসোনা খাতুন যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি সভায় ছিলেন। সভা শেষে বিকেলে তিনি উপজেলা কার্যালয়ে ফিরলে পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তার কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক সম্রাট হোসেন, সমন্বয়ক মো. মিরাজ হোসেন, বোরহান উদ্দীন ও মাহফুজুর রহমান ইমন।

পরীক্ষার্থীদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—প্রকাশিত ও প্রস্তাবিত ভাইবা ফলাফল সাময়িক স্থগিত রেখে নিরপেক্ষভাবে পুনর্নিরীক্ষণ ও ফলাফল যাচাই করা। একই সঙ্গে ভাইবা পরীক্ষায় নম্বর প্রদানের প্রক্রিয়া, ভাইবা গ্রহণ এবং ফলাফল প্রস্তুতের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম, পক্ষপাতিত্ব, রাজনৈতিক প্রভাব বা স্বজনপ্রীতির অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানানো হয়।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাব বিবেচনা না করে মেধা, যোগ্যতা ও নির্ধারিত নির্বাচন নীতিমালা অনুসরণের দাবিও জানিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা।

ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কার্যক্রমের এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে কেশবপুরে নানা আলোচনা ও অভিযোগ উঠেছে। তালিকায় নাম না থাকা পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান, একই পরিবারের একাধিক সদস্য, স্বামী-স্ত্রী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী এবং একই গ্রামের একাধিক ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রকৃত তথ্য যাচাই করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

পরে সাধারণ পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. রেকসোনা খাতুনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে তাদের চার দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

এসএসসির ফলে যশোর বোর্ডে ফের অবনতি পাসের হার কমেছে ৭.৪২ শতাংশ; দুই বছরে জিপিএ-৫ কমেছে ৯ হাজার ২৮৩

কেশবপুরে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, পুনর্নিরীক্ষণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট: ১০:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

যশোরের কেশবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ভাইবা পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণ এবং মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে স্বচ্ছভাবে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচনের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন পরীক্ষার্থীরা।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কেশবপুর উপজেলা চত্বরে চার দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

কর্মসূচি চলাকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রেকসোনা খাতুন যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি সভায় ছিলেন। সভা শেষে বিকেলে তিনি উপজেলা কার্যালয়ে ফিরলে পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তার কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক সম্রাট হোসেন, সমন্বয়ক মো. মিরাজ হোসেন, বোরহান উদ্দীন ও মাহফুজুর রহমান ইমন।

পরীক্ষার্থীদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—প্রকাশিত ও প্রস্তাবিত ভাইবা ফলাফল সাময়িক স্থগিত রেখে নিরপেক্ষভাবে পুনর্নিরীক্ষণ ও ফলাফল যাচাই করা। একই সঙ্গে ভাইবা পরীক্ষায় নম্বর প্রদানের প্রক্রিয়া, ভাইবা গ্রহণ এবং ফলাফল প্রস্তুতের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম, পক্ষপাতিত্ব, রাজনৈতিক প্রভাব বা স্বজনপ্রীতির অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি জানানো হয়।

অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া এবং চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাব বিবেচনা না করে মেধা, যোগ্যতা ও নির্ধারিত নির্বাচন নীতিমালা অনুসরণের দাবিও জানিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা।

ফ্যামিলি কার্ড শুমারি কার্যক্রমের এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে কেশবপুরে নানা আলোচনা ও অভিযোগ উঠেছে। তালিকায় নাম না থাকা পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান, একই পরিবারের একাধিক সদস্য, স্বামী-স্ত্রী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ী এবং একই গ্রামের একাধিক ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রকৃত তথ্য যাচাই করে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

পরে সাধারণ পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. রেকসোনা খাতুনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে তাদের চার দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।