০২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

সিএমএসডির কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কমিশন আদায়ের অভিযোগ, দুদকে লিখিত আবেদন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১০

কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসার মো. আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের বিল ছাড়ে কমিশন দাবি, বিল আটকে রাখা এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, বিভিন্ন সরবরাহকারীর বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে কমিশন দাবি করা হয়। কমিশন দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিল দীর্ঘদিন আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চাইলেও সংশ্লিষ্টরা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা পাননি বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজধানী ও গ্রামের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। এছাড়া একটি বড় অঙ্কের বিল ছাড়কে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন বা সরকারি যাচাইয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মো. আব্দুর রাজ্জাক ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট প্রেষণে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. আব্দুর রাজ্জাক তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “চাকরিজীবনের শুরু থেকে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”

এ বিষয়ে দুদক বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। তদন্তের ফলাফলের আগে অভিযোগগুলো প্রমাণিত বলে গণ্য করা যাবে না।

সর্বাধিক পঠিত

মহাখালীতে এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মাদক সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

সিএমএসডির কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কমিশন আদায়ের অভিযোগ, দুদকে লিখিত আবেদন

আপডেট: ১২:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসার মো. আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ঠিকাদারদের বিল ছাড়ে কমিশন দাবি, বিল আটকে রাখা এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তুলে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত আবেদন করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, বিভিন্ন সরবরাহকারীর বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে কমিশন দাবি করা হয়। কমিশন দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিল দীর্ঘদিন আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চাইলেও সংশ্লিষ্টরা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা পাননি বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজধানী ও গ্রামের বাড়িতে বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। এছাড়া একটি বড় অঙ্কের বিল ছাড়কে কেন্দ্র করে অনিয়মের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন বা সরকারি যাচাইয়ের তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মো. আব্দুর রাজ্জাক ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট প্রেষণে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. আব্দুর রাজ্জাক তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “চাকরিজীবনের শুরু থেকে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছি। আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”

এ বিষয়ে দুদক বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। তদন্তের ফলাফলের আগে অভিযোগগুলো প্রমাণিত বলে গণ্য করা যাবে না।