০২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের ডিসি পদে পদায়ন ঘিরে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৫

চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে পদায়নকে কেন্দ্র করে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, কাঙ্ক্ষিত পদায়ন নিশ্চিত করতে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কয়েক ধাপে আর্থিক চুক্তির চেষ্টা করা হয়। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এখনো হয়নি।

অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট নথি ও সূত্রের দাবি, পদায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি লিখিত সম্মতিপত্র এবং একজন ব্যক্তিকে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করার নথি তৈরি করা হয়েছিল। ওই নথির সত্যতা এবং এর প্রেক্ষাপট নিয়েও প্রশাসনিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একজন ব্যবসায়ীকে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কথা নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে সরকারি কোনো তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে নথিতে নিজের স্বাক্ষর থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তিনি অভিযোগের বিষয়ে নিজের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন।

প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি অভিযোগগুলো তদন্তে প্রমাণিত হয়, তাহলে তা সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা এবং দুর্নীতিবিষয়ক প্রচলিত আইনের আওতায় পর্যালোচনার বিষয় হতে পারে। তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বাধিক পঠিত

মহাখালীতে এএসআইয়ের বিরুদ্ধে মাদক সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

চট্টগ্রামের ডিসি পদে পদায়ন ঘিরে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ

আপডেট: ১২:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে পদায়নকে কেন্দ্র করে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, কাঙ্ক্ষিত পদায়ন নিশ্চিত করতে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কয়েক ধাপে আর্থিক চুক্তির চেষ্টা করা হয়। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এখনো হয়নি।

অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট নথি ও সূত্রের দাবি, পদায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি লিখিত সম্মতিপত্র এবং একজন ব্যক্তিকে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করার নথি তৈরি করা হয়েছিল। ওই নথির সত্যতা এবং এর প্রেক্ষাপট নিয়েও প্রশাসনিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একজন ব্যবসায়ীকে প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কথা নথিতে উল্লেখ রয়েছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে সরকারি কোনো তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশিত হয়নি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে নথিতে নিজের স্বাক্ষর থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তিনি অভিযোগের বিষয়ে নিজের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন।

প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি অভিযোগগুলো তদন্তে প্রমাণিত হয়, তাহলে তা সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা এবং দুর্নীতিবিষয়ক প্রচলিত আইনের আওতায় পর্যালোচনার বিষয় হতে পারে। তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থার।

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।