০৬:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬

মেগা প্রকল্পে অপচয় নয়, বাস্তব সুফল চায় সরকার: সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:০০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • ৫০৫

সরকার আর অপ্রয়োজনীয় মেগা প্রকল্পে অর্থ অপচয় করতে চায় না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, পূর্বের মতো যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া বড় প্রকল্প হাতে নিয়ে জনগণের অর্থ নষ্ট করার নীতি থেকে সরে এসেছে বর্তমান সরকার।

মঙ্গলবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শুধু কাগজে-কলমে লাভ দেখিয়ে কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না। প্রকল্পের সুফল যেন সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনে প্রতিফলিত হয়, সেটিই হবে প্রধান বিবেচ্য বিষয়। এজন্য বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা এবং জনগণের ট্যাক্সের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মানুষের মধ্যে একটি ধারণা তৈরি হয়েছে—বড় প্রকল্প মানেই বড় দুর্নীতি। এই নেতিবাচক ধারণা দূর করতে হলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।

‘ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি জানান, এটি বাস্তবায়নের আগে সম্ভাব্যতা, অর্থনৈতিক প্রভাব এবং জনসাধারণের উপকারিতা বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

সরকারের এই অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ভবিষ্যতে অবকাঠামো উন্নয়নে “গুণগত মান” ও “জনস্বার্থ” বেশি গুরুত্ব পাবে, শুধুমাত্র বড় বাজেট বা উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প নয়। তবে বাস্তবে এই নীতির প্রয়োগ কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

যশোরে বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ছাত্রদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা

মেগা প্রকল্পে অপচয় নয়, বাস্তব সুফল চায় সরকার: সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

আপডেট: ০৫:০০:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

সরকার আর অপ্রয়োজনীয় মেগা প্রকল্পে অর্থ অপচয় করতে চায় না বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, পূর্বের মতো যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া বড় প্রকল্প হাতে নিয়ে জনগণের অর্থ নষ্ট করার নীতি থেকে সরে এসেছে বর্তমান সরকার।

মঙ্গলবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শুধু কাগজে-কলমে লাভ দেখিয়ে কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না। প্রকল্পের সুফল যেন সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনে প্রতিফলিত হয়, সেটিই হবে প্রধান বিবেচ্য বিষয়। এজন্য বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা এবং জনগণের ট্যাক্সের টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মানুষের মধ্যে একটি ধারণা তৈরি হয়েছে—বড় প্রকল্প মানেই বড় দুর্নীতি। এই নেতিবাচক ধারণা দূর করতে হলে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।

‘ঢাকা ইস্ট-ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ প্রকল্প প্রসঙ্গে তিনি জানান, এটি বাস্তবায়নের আগে সম্ভাব্যতা, অর্থনৈতিক প্রভাব এবং জনসাধারণের উপকারিতা বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন করা হবে।

সরকারের এই অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ভবিষ্যতে অবকাঠামো উন্নয়নে “গুণগত মান” ও “জনস্বার্থ” বেশি গুরুত্ব পাবে, শুধুমাত্র বড় বাজেট বা উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প নয়। তবে বাস্তবে এই নীতির প্রয়োগ কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।